ক্যান্সার আক্রান্ত আড়াই বছরের শিশু, পাশে দাঁড়ালো সামাজিক সংগঠন
ক্যানসার আক্রান্ত আবিরের পাশে দাঁড়ালেন আইনমন্ত্রী মলয় ঘটকের আপ্তসহায়ক দেবপ্রিয় সমাজদার। গতকাল বিকেলে তিনি আবিরদের বাড়ি গিয়ে তার বাবা গণেশ রায়ের হাতে ৫ হাজার টাকা তুলে দেন। এমনকী ২ ডিসেম্বর তাঁর এক মাসের বেতন আবিরের পরিবারের হাতে তুলে দেবেন বলেও জানান। পাশাপাশি ওই দিনই দক্ষিণ দিনাজপুরের ২০টি ক্লাবে ৫ হাজার টাকা করে মোট ১ লাখ টাকা তুলে দেবেন বলে জানিয়েছেন দেবপ্রিয় সমাজদার। চিকিৎসা করাতে গিয়ে আবির যাতে রাজ্য ও কেন্দ্রীয় সরকারের বিভিন্ন সুবিধাগুলি পায় তারও ব্যবস্থা করছেন তিনি।
পতিরাম গ্রাম পঞ্চায়েতের ঝাপুর্সির বাসিন্দা, পেশায় শ্রমিক গণেশ রায়ের এক মেয়ে ও দুই ছেলে। কয়েকবছর আগে কর্মসূত্রে তিনি স্বপরিবারে গুজরাতে গেছিলেন। বছরখানেক তাঁর ছোটো ছেলে আবির জ্বরে আক্রান্ত হয়। অনেক চিকিৎসার পরেও জ্বর না কমায় গুজরাতের এক বেসরকারি নার্সিংহোমে তাকে ভরতি করেন গণেশবাবু। চিকিৎসা চলাকালীন অবস্থায় ধরা পড়ে আবিরের শরীরে বাসা বেঁধেছে মারণ রোগ ব্লাড ক্যানসার। এরপর তার চিকিৎসার জন্য বাড়ি ফিরে আসেন গণেশবাবু। তারপর ছেলেকে প্রথমে বালুরঘাটের একটি বেসরকারি হাসপাতাল ও পরে বালুরঘাট জেলা হাসপাতালে ভরতি করান। কিন্তু, সেখানকার চিকিৎসকরা আবিরকে কলকাতা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে রেফার করেন। এরপর দশ মাস ধরে চলছে আবিরের চিকিৎসা। তাকে এখন পর্যন্ত সাতবার কেমো দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে একটু সুস্থ। কিন্তু, চিকিৎসকরা জানিয়েছেন তাকে পুরোপুরি সুস্থ করতে গেলে বোন ম্যারো ট্র্যান্সপ্লান্ট করাতে হবে। এর জন্য যত দ্রুত সম্ভব দিল্লির AIIMS যোগাযোগ করতে। ৭-৮ লাখ টাকা খরচ হবে বলেও জানিয়েছেন তাঁরা।
পতিরাম গ্রাম পঞ্চায়েতের ঝাপুর্সির বাসিন্দা, পেশায় শ্রমিক গণেশ রায়ের এক মেয়ে ও দুই ছেলে। কয়েকবছর আগে কর্মসূত্রে তিনি স্বপরিবারে গুজরাতে গেছিলেন। বছরখানেক তাঁর ছোটো ছেলে আবির জ্বরে আক্রান্ত হয়। অনেক চিকিৎসার পরেও জ্বর না কমায় গুজরাতের এক বেসরকারি নার্সিংহোমে তাকে ভরতি করেন গণেশবাবু। চিকিৎসা চলাকালীন অবস্থায় ধরা পড়ে আবিরের শরীরে বাসা বেঁধেছে মারণ রোগ ব্লাড ক্যানসার। এরপর তার চিকিৎসার জন্য বাড়ি ফিরে আসেন গণেশবাবু। তারপর ছেলেকে প্রথমে বালুরঘাটের একটি বেসরকারি হাসপাতাল ও পরে বালুরঘাট জেলা হাসপাতালে ভরতি করান। কিন্তু, সেখানকার চিকিৎসকরা আবিরকে কলকাতা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে রেফার করেন। এরপর দশ মাস ধরে চলছে আবিরের চিকিৎসা। তাকে এখন পর্যন্ত সাতবার কেমো দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে একটু সুস্থ। কিন্তু, চিকিৎসকরা জানিয়েছেন তাকে পুরোপুরি সুস্থ করতে গেলে বোন ম্যারো ট্র্যান্সপ্লান্ট করাতে হবে। এর জন্য যত দ্রুত সম্ভব দিল্লির AIIMS যোগাযোগ করতে। ৭-৮ লাখ টাকা খরচ হবে বলেও জানিয়েছেন তাঁরা।
Labels:
West Bengal


No comments: