শিশুদের ডায়রিয়া হলে কি সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে
আমাদের দেশে শিশু-মৃত্যুর অন্যতম কারণ হলো ডায়রিয়া। পায়খানায় শুধু মল ও জল থাকলে তাকে ডায়রিয়া বা পাতলা পায়খানা এবং পাতলা পায়খানার সাথে রক্ত গেলে তাকে আমাশয় বলে। অধিকাংশ ডায়রিয়ায় ওষুধ প্রয়োজন পড়ে না। শুধু খাবার স্যালাইনেই সারে। ডায়রিয়া হলে শরীর থেকে জল ও লবণ জাতীয় পদার্থ বেরিয়ে গিয়ে জল স্বল্পতা দেখা দেয়। ডায়রিয়ার সঙ্গে কখনো কখনো জ্বর, বমি কিংবা পেটের ব্যথাও হতে পারে।
ডায়রিয়ার কারণ
দূষিত খাবার
দূষিত জল
রোগ জীবানু
কৃমি
ডায়রিয়া হলে করনীয়
বার বার খাবার স্যালাইন খাওয়াতে হবে।
বেশি করে তরল খাবার যেমন-ভাতের মাড়, চিড়ার জল, ডাবের জল খাওয়াতে হবে।
আর্সেনিক মুক্ত নিরাপদ টিউবওয়েলের জল খাওয়াতে হবে। টিউবওয়ালের জল পাওয়া না গেলে পুকুর বা নদীর জল ওভেনে চড়িয়ে বুদবুদ ওঠা থেকে ২০/২৫ মিনিট পর্যন্ত ফুটিয়ে ঠান্ডা করে খাওয়াতে হবে।
শিশুকে স্বাভাবিক খাবার খাওয়ানো চালিয়ে যেতে হবে। অল্প অল্প করে বার বার খাওয়াতে হবে।
যে সব শিশু মায়ের দুধ খায় তাদের ঘনঘন মায়ের দুধ খাওয়াতে হবে।
ডায়রিয়া হয়েছে বুঝতে পারলে যা করা যাবে না
খাবার বন্ধ করা যাবে না।
স্বাস্থ্যকর্মীর পরামর্শ ছাড়া ঔষধ দেয়া যাবে না।
স্যালাইন বানানো ও খাওয়ার নিয়ম
পুরো এক প্যাকেট স্যালাইন আধা লিটার জলে একবারেই ঢেলে দিতে হবে
স্যালাইন জলে পুরোপুরি না মিশে যাওয়া পর্যন্ত নাড়াতে হবে
২ বছরের কম বয়সী শিশুদের জন্য প্রতি বার পায়খানার পর ১০-২০ চা চামচ পরিমাণ স্যালাইন খাওয়াতে হবে
২ বছরের বেশি বয়সী শিশুদের জন্য প্রতি বার পাতলা পায়খানার পর ২০-৪০ চা চামচ পরিমান স্যালাইন খাওয়াতে হবে বা যতটুকু খেতে চায় সেই পরিমাণ খাওয়াতে হবে।
প্যাকেট থেকে বানানো স্যালাইন ১২ ঘন্টা পর্যন্ত খাওয়ানো যায়।
কখন চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হবে
যদি শিশু নেতিয়ে পড়ে বা অজ্ঞান হয়ে যায়।
যদি খিঁচুনী হয়।
যদি শিশুর বেশী বেশী পায়খানা বা বমি হয়।
যদি শিশু খাবার খেতে না পারে।
শিশুর যদি চোখ বসে যায়।
শিশুর পাতলা পায়খানায় যদি রক্ত থাকে।
ডায়রিয়া প্রতিরোধে করণীয়
৬ মাসের কম বয়সী শিশুকে শুধুমাত্র মায়ের দুধ ও স্যালাইন খাওয়াতে হবে।
যদি সম্ভব হয় তবে শিশুকে অসুস্থ লোক বা রোগী থেকে দূরে রাখতে হবে।
খাবার তৈরীর আগে, শিশুকে খাওয়াবার পূর্বে এবং পায়খানার পর সাবান দিয়ে হাত ধোয়ার অভ্যাস করতে হবে।
সব সময় সিদ্ধ ঠান্ডা জল ব্যবহার করতে হবে।
বোতলের দুধ খাওয়ানোর থেকে বিরত থাকতে হবে।
ছোট বাচ্চাদের খাওয়ানোর সময় চামচ ব্যবহার করতে হবে।
জলাবদ্ধ পায়খানা ব্যবহার করতে হবে।
শিশুকে হামের টিকা দিতে হবে।
ডায়রিয়ার কারণ
দূষিত খাবার
দূষিত জল
রোগ জীবানু
কৃমি
ডায়রিয়া হলে করনীয়
বার বার খাবার স্যালাইন খাওয়াতে হবে।
বেশি করে তরল খাবার যেমন-ভাতের মাড়, চিড়ার জল, ডাবের জল খাওয়াতে হবে।
আর্সেনিক মুক্ত নিরাপদ টিউবওয়েলের জল খাওয়াতে হবে। টিউবওয়ালের জল পাওয়া না গেলে পুকুর বা নদীর জল ওভেনে চড়িয়ে বুদবুদ ওঠা থেকে ২০/২৫ মিনিট পর্যন্ত ফুটিয়ে ঠান্ডা করে খাওয়াতে হবে।
শিশুকে স্বাভাবিক খাবার খাওয়ানো চালিয়ে যেতে হবে। অল্প অল্প করে বার বার খাওয়াতে হবে।
যে সব শিশু মায়ের দুধ খায় তাদের ঘনঘন মায়ের দুধ খাওয়াতে হবে।
ডায়রিয়া হয়েছে বুঝতে পারলে যা করা যাবে না
খাবার বন্ধ করা যাবে না।
স্বাস্থ্যকর্মীর পরামর্শ ছাড়া ঔষধ দেয়া যাবে না।
স্যালাইন বানানো ও খাওয়ার নিয়ম
পুরো এক প্যাকেট স্যালাইন আধা লিটার জলে একবারেই ঢেলে দিতে হবে
স্যালাইন জলে পুরোপুরি না মিশে যাওয়া পর্যন্ত নাড়াতে হবে
২ বছরের কম বয়সী শিশুদের জন্য প্রতি বার পায়খানার পর ১০-২০ চা চামচ পরিমাণ স্যালাইন খাওয়াতে হবে
২ বছরের বেশি বয়সী শিশুদের জন্য প্রতি বার পাতলা পায়খানার পর ২০-৪০ চা চামচ পরিমান স্যালাইন খাওয়াতে হবে বা যতটুকু খেতে চায় সেই পরিমাণ খাওয়াতে হবে।
প্যাকেট থেকে বানানো স্যালাইন ১২ ঘন্টা পর্যন্ত খাওয়ানো যায়।
কখন চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হবে
যদি শিশু নেতিয়ে পড়ে বা অজ্ঞান হয়ে যায়।
যদি খিঁচুনী হয়।
যদি শিশুর বেশী বেশী পায়খানা বা বমি হয়।
যদি শিশু খাবার খেতে না পারে।
শিশুর যদি চোখ বসে যায়।
শিশুর পাতলা পায়খানায় যদি রক্ত থাকে।
ডায়রিয়া প্রতিরোধে করণীয়
৬ মাসের কম বয়সী শিশুকে শুধুমাত্র মায়ের দুধ ও স্যালাইন খাওয়াতে হবে।
যদি সম্ভব হয় তবে শিশুকে অসুস্থ লোক বা রোগী থেকে দূরে রাখতে হবে।
খাবার তৈরীর আগে, শিশুকে খাওয়াবার পূর্বে এবং পায়খানার পর সাবান দিয়ে হাত ধোয়ার অভ্যাস করতে হবে।
সব সময় সিদ্ধ ঠান্ডা জল ব্যবহার করতে হবে।
বোতলের দুধ খাওয়ানোর থেকে বিরত থাকতে হবে।
ছোট বাচ্চাদের খাওয়ানোর সময় চামচ ব্যবহার করতে হবে।
জলাবদ্ধ পায়খানা ব্যবহার করতে হবে।
শিশুকে হামের টিকা দিতে হবে।
Labels:
Entertainment


No comments: