শিশুর চুলের যত্ন নেবেন কি ভাবে
নবজাতকের চুল সম্পর্কে নানা ধারণা প্রচলিত। কেউ মনে করেন, জন্মের সাত দিনের মধ্যে চুল ফেলে দিতে হবে।
কেউ বলেন, ছোটবেলায় চুল লম্বা রাখলে পরে চুল পাতলা হয়ে যায়। এসব ধারণা ভুল। নবজাতকের চুল কাটতে কোনো বাধ্যবাধকতা নেই। তবে বয়স অন্তত এক মাস হওয়ার পর চুল ফেলা উচিত। গরমের সময় নবজাতকের চুল কাঁচির সাহায্যে কিছুটা ছোট করে ফেলা যেতে পারে। আবার শীতে ঠিক উল্টো হবে। অর্থাৎ শীতে নবজাতককে ঠাণ্ডার হাত থেকে অনেকখানিই বাঁচাবে চুল। এ সময় চুলে বাড়তি কোনো যত্নের দরকার হয় না। অনেক সময় নবজাতকের মাথার চামড়া উঠে যেতে পারে।
ফাঙ্গাস, অ্যালার্জি বা ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণে এটা হয়। চামড়া ওঠা রোগ হওয়া মাত্র চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত। অনেকে এটা তুলতে সরিষার তেল ব্যবহার করেন। কিন্তু সরিষার তেল নবজাতকের মাথায় লাগানো উচিত নয়। বাচ্চাদের ব্যবহার উপযোগী অন্য যেসব তেল বাজারে পাওয়া যায়, সেগুলো লাগানো যেতে পারে। সপ্তাহে এক দিন বেবি শ্যাম্পু দিয়ে চুল পরিষ্কার করে দিতে হবে। জন্মের পর থেকে তিন-চার মাস এভাবেই নবজাতকের চুলের যত্ন নিতে হয়। নবজাতককে তেল বা শ্যাম্পু ব্যবহারের আগে চিকিৎসকের সঙ্গে কথা বলে নেওয়া ভালো। অনেকের ধারণা, নবজাতকের মাথায় অনেক বেশি তেল দিলে মাথার তালুতে হলুদ বা বাদামি আঁশের মতো স্তর পড়ে। একে ক্রেডল ক্যাপ বলে। আসলে ক্রেডল ক্যাপ হয় মূলত মাথার তালুতে অনেক বেশি সিবাম বা তেল উত্পন্ন হলে। এর জন্য ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী অয়েন্টমেন্ট লাগাতে হবে।
অনেকে ভাবেন ছোটবেলায় বারবার মাথা মুড়ালেই চুল ঘন হয় কিংবা চুল কাটলে চুলের গোড়া মোটা হবে। আসলে এসবের কোনো ভিত্তি নেই। চুলের ভালোমন্দ অনেকটা জিনগত ও খাদ্যাভ্যাসের ওপর নির্ভর করে। এ ছাড়া শীতে শিশুর চুলের আগা ফাটা খুবই সাধারণ সমস্যা। এ জন্য এক-দেড় মাস পর পর শিশুর চুলের আগা কিছুটা ছেঁটে দিতে পারেন। এ সময় খুশকির প্রকোপ দেখা দেয়। খুশকির সমস্যায় চুলে সপ্তাহে এক দিন মেডিকেটেড শ্যাম্পু ব্যবহার করুন। চুলের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে সপ্তাহে দুই দিন অলিভ অয়েল হালকা গরম করে শিশুর চুলে ম্যাসাজ করে দিন। এতে ত্বকে রক্ত সঞ্চালন বাড়বে। শীতে শিশুর শরীর হালকা গরম জল দিয়ে ধোয়ালেও মাথা ধোয়ানোর সময় অবশ্যই স্বাভাবিক তাপমাত্রার জল ব্যবহার করতে হবে। মাথায় খুশকি হলে ভালো হয়ে যাওয়ার আগ পর্যন্ত শিশুর চুলে তেল দেওয়া থেকে বিরত থাকুন। খেলাধুলা ও বাইরে বের হওয়ার কারণে শিশুর চুলে ধুলাবালি লেগে যায়। সপ্তাহে দুই দিন বেবি শ্যাম্পু দিয়ে বাচ্চার চুল পরিষ্কার করে দিন।
এ সময়ে অনেক শিশুর চুলে উকুনের সমস্যা দেখা দেয়। এর প্রতিরোধে মেডিকেটেড শ্যাম্পু ব্যবহার করুন এবং মাথা থেকে উকুন ও এর ডিম অপসারণের চেষ্টা করুন। উকুনের সংক্রমণ থেকে রক্ষার জন্য ঘন ঘন বিছানার চাদর ও বালিশের কাভার পরিবর্তন করে দিন।
কেউ বলেন, ছোটবেলায় চুল লম্বা রাখলে পরে চুল পাতলা হয়ে যায়। এসব ধারণা ভুল। নবজাতকের চুল কাটতে কোনো বাধ্যবাধকতা নেই। তবে বয়স অন্তত এক মাস হওয়ার পর চুল ফেলা উচিত। গরমের সময় নবজাতকের চুল কাঁচির সাহায্যে কিছুটা ছোট করে ফেলা যেতে পারে। আবার শীতে ঠিক উল্টো হবে। অর্থাৎ শীতে নবজাতককে ঠাণ্ডার হাত থেকে অনেকখানিই বাঁচাবে চুল। এ সময় চুলে বাড়তি কোনো যত্নের দরকার হয় না। অনেক সময় নবজাতকের মাথার চামড়া উঠে যেতে পারে।
ফাঙ্গাস, অ্যালার্জি বা ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণে এটা হয়। চামড়া ওঠা রোগ হওয়া মাত্র চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত। অনেকে এটা তুলতে সরিষার তেল ব্যবহার করেন। কিন্তু সরিষার তেল নবজাতকের মাথায় লাগানো উচিত নয়। বাচ্চাদের ব্যবহার উপযোগী অন্য যেসব তেল বাজারে পাওয়া যায়, সেগুলো লাগানো যেতে পারে। সপ্তাহে এক দিন বেবি শ্যাম্পু দিয়ে চুল পরিষ্কার করে দিতে হবে। জন্মের পর থেকে তিন-চার মাস এভাবেই নবজাতকের চুলের যত্ন নিতে হয়। নবজাতককে তেল বা শ্যাম্পু ব্যবহারের আগে চিকিৎসকের সঙ্গে কথা বলে নেওয়া ভালো। অনেকের ধারণা, নবজাতকের মাথায় অনেক বেশি তেল দিলে মাথার তালুতে হলুদ বা বাদামি আঁশের মতো স্তর পড়ে। একে ক্রেডল ক্যাপ বলে। আসলে ক্রেডল ক্যাপ হয় মূলত মাথার তালুতে অনেক বেশি সিবাম বা তেল উত্পন্ন হলে। এর জন্য ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী অয়েন্টমেন্ট লাগাতে হবে।
অনেকে ভাবেন ছোটবেলায় বারবার মাথা মুড়ালেই চুল ঘন হয় কিংবা চুল কাটলে চুলের গোড়া মোটা হবে। আসলে এসবের কোনো ভিত্তি নেই। চুলের ভালোমন্দ অনেকটা জিনগত ও খাদ্যাভ্যাসের ওপর নির্ভর করে। এ ছাড়া শীতে শিশুর চুলের আগা ফাটা খুবই সাধারণ সমস্যা। এ জন্য এক-দেড় মাস পর পর শিশুর চুলের আগা কিছুটা ছেঁটে দিতে পারেন। এ সময় খুশকির প্রকোপ দেখা দেয়। খুশকির সমস্যায় চুলে সপ্তাহে এক দিন মেডিকেটেড শ্যাম্পু ব্যবহার করুন। চুলের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে সপ্তাহে দুই দিন অলিভ অয়েল হালকা গরম করে শিশুর চুলে ম্যাসাজ করে দিন। এতে ত্বকে রক্ত সঞ্চালন বাড়বে। শীতে শিশুর শরীর হালকা গরম জল দিয়ে ধোয়ালেও মাথা ধোয়ানোর সময় অবশ্যই স্বাভাবিক তাপমাত্রার জল ব্যবহার করতে হবে। মাথায় খুশকি হলে ভালো হয়ে যাওয়ার আগ পর্যন্ত শিশুর চুলে তেল দেওয়া থেকে বিরত থাকুন। খেলাধুলা ও বাইরে বের হওয়ার কারণে শিশুর চুলে ধুলাবালি লেগে যায়। সপ্তাহে দুই দিন বেবি শ্যাম্পু দিয়ে বাচ্চার চুল পরিষ্কার করে দিন।
এ সময়ে অনেক শিশুর চুলে উকুনের সমস্যা দেখা দেয়। এর প্রতিরোধে মেডিকেটেড শ্যাম্পু ব্যবহার করুন এবং মাথা থেকে উকুন ও এর ডিম অপসারণের চেষ্টা করুন। উকুনের সংক্রমণ থেকে রক্ষার জন্য ঘন ঘন বিছানার চাদর ও বালিশের কাভার পরিবর্তন করে দিন।
Labels:
Entertainment



No comments: