নিয়মিত চুমু কতোটা জরুরী
চুম্বনের কথা শুনলেই সকলে এর সঙ্গে যৌনতার গন্ধ পান। অথচ এর বাইরেও চুম্বনের সামাজিক গুরুত্ব আছে। চুম্বন ভালোবাসা প্রকাশের একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। ইউরোপের অনেক দেশেই গালে চুম্বন করাটা শুভেচ্ছা জানানোর একটি রীতি এবং কাউকে ‘হ্যালো’ বলার একটি প্রথা।
চুম্বন হল দুই ঠোঁটের স্পর্শ দিয়ে কাউকে আদর করা বা স্নেহ প্রকাশ করা। মানব সভ্যতার বিভিন্ন ধাপে বিভিন্ন অনুষ্ঠান ও উৎসবে চুম্বন প্রথা ব্যবহৃত হয়ে এসেছে। এটি অভিবাদনের সাধারণ একটি রীতি।
গবেষকদের মতে চুম্বন শরীরের জন্যও বেশ উপকারী। উদাহরণস্বরূপ ধরুন আপনি খুব মানসিক চাপে আছেন কোনো কিছু নিয়ে। এই সময়ে ভালোবাসার মানুষটির একটি চুম্বনেই আপনার মানসিক চাপ অনেকখানি কমে যাবে। নিয়মিত চুম্বনে মানুষের যৌবনও বৃদ্ধি পায়। জেনে নেওয়া যাক চুম্বনের কিছু শারীরিক উপকারিতা।
দুজন ব্যক্তি পরস্পরকে চুম্বনের সময়ে মুখের প্রায় ৩০টি পেশি ব্যবহৃত হয়। এতে রক্ত চলাচল বাড়ে এবং বয়সের কারণে সৃষ্ট মুখের বলিরেখা কমায়।
প্রায় ২ মিনিট ধরে চুম্বন করলে অন্তত ৬ ক্যালোরি ক্ষয় হয়। চুম্বনে মেটাবলিজম বৃদ্ধি পায়, তাই ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে চুম্বনের জুড়ি নেই।
চুমু খাওয়া দাঁতের জন্যও উপকারী। চুম্বনের সময় মুখের সালাইভা ফ্লো বাড়ে এবং এর ফলে দাঁত পরিষ্কার হয় ও ভালো থাকে।
যারা চুমু খেতে ভালোবাসেন এবং নিয়মিত চুমু খান তাদের ইনসোমনিয়ার সমস্যা হয় না। অন্যদের তুলনায় তারা মানসিক ভাবে স্থির প্রকৃতির হয়।
চুম্বনের ফলে দেহে অক্সিটোসিনের মাত্রা বৃদ্ধি পায় যা দেহকে প্রশান্ত রাখতে সহায়তা করে।
মহিলাদের মতে, ডিমস্ফোটনের কাছাকাছি সময়ে চুমো তাদের জন্যে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। মহিলা যখন গর্ভবতী হওয়ার ইচ্ছা পোষণ করেন, তখন চুম্বন তাদের কাছে আকর্ষণীয় হয়ে ওঠে। চুমোর মাধ্যমেই মহিলারা গন্ধ ও স্বাদের মাধ্যমে মিলিত হওয়ার ইচ্ছা পোষণ করেন।
চুমোর অনুভূতি বহুদিন পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে। এর প্রভাব আপনার মনে সুখ সৃষ্টি করে। তাই চুমো খাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে মনের দুঃখ-কষ্ট দূর হতে বেশি সময় লাগে না। এই সুখানুভূতির স্থায়িত্ব যত বেশি হবে, আপনি তত বেশি দুঃখ থেকে দূরে থাকবেন।
নিয়মিত চুম্বনে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে এবং দাম্পত্য সম্পর্ক আরো মজবুত হয়।
চুম্বন হল দুই ঠোঁটের স্পর্শ দিয়ে কাউকে আদর করা বা স্নেহ প্রকাশ করা। মানব সভ্যতার বিভিন্ন ধাপে বিভিন্ন অনুষ্ঠান ও উৎসবে চুম্বন প্রথা ব্যবহৃত হয়ে এসেছে। এটি অভিবাদনের সাধারণ একটি রীতি।
গবেষকদের মতে চুম্বন শরীরের জন্যও বেশ উপকারী। উদাহরণস্বরূপ ধরুন আপনি খুব মানসিক চাপে আছেন কোনো কিছু নিয়ে। এই সময়ে ভালোবাসার মানুষটির একটি চুম্বনেই আপনার মানসিক চাপ অনেকখানি কমে যাবে। নিয়মিত চুম্বনে মানুষের যৌবনও বৃদ্ধি পায়। জেনে নেওয়া যাক চুম্বনের কিছু শারীরিক উপকারিতা।
দুজন ব্যক্তি পরস্পরকে চুম্বনের সময়ে মুখের প্রায় ৩০টি পেশি ব্যবহৃত হয়। এতে রক্ত চলাচল বাড়ে এবং বয়সের কারণে সৃষ্ট মুখের বলিরেখা কমায়।
প্রায় ২ মিনিট ধরে চুম্বন করলে অন্তত ৬ ক্যালোরি ক্ষয় হয়। চুম্বনে মেটাবলিজম বৃদ্ধি পায়, তাই ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে চুম্বনের জুড়ি নেই।
চুমু খাওয়া দাঁতের জন্যও উপকারী। চুম্বনের সময় মুখের সালাইভা ফ্লো বাড়ে এবং এর ফলে দাঁত পরিষ্কার হয় ও ভালো থাকে।
যারা চুমু খেতে ভালোবাসেন এবং নিয়মিত চুমু খান তাদের ইনসোমনিয়ার সমস্যা হয় না। অন্যদের তুলনায় তারা মানসিক ভাবে স্থির প্রকৃতির হয়।
চুম্বনের ফলে দেহে অক্সিটোসিনের মাত্রা বৃদ্ধি পায় যা দেহকে প্রশান্ত রাখতে সহায়তা করে।
মহিলাদের মতে, ডিমস্ফোটনের কাছাকাছি সময়ে চুমো তাদের জন্যে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। মহিলা যখন গর্ভবতী হওয়ার ইচ্ছা পোষণ করেন, তখন চুম্বন তাদের কাছে আকর্ষণীয় হয়ে ওঠে। চুমোর মাধ্যমেই মহিলারা গন্ধ ও স্বাদের মাধ্যমে মিলিত হওয়ার ইচ্ছা পোষণ করেন।
চুমোর অনুভূতি বহুদিন পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে। এর প্রভাব আপনার মনে সুখ সৃষ্টি করে। তাই চুমো খাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে মনের দুঃখ-কষ্ট দূর হতে বেশি সময় লাগে না। এই সুখানুভূতির স্থায়িত্ব যত বেশি হবে, আপনি তত বেশি দুঃখ থেকে দূরে থাকবেন।
নিয়মিত চুম্বনে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে এবং দাম্পত্য সম্পর্ক আরো মজবুত হয়।
Labels:
Entertainment


No comments: