আপনি কি জানেন, শামুক থেকে তৈরি মুল্যবান এই জিনিসটি কি?
শামুক থেকে নির্মিত হয় দৈনন্দিন জীবনে ব্যবহৃত আমাদের এই জিনিসটি, যা অনেকেরই অজানা। যা কিনা বিশেষভাবে খৈনি বানাতে, পান খেতে, ঘরের দেওয়াল রং করতে, এমনকি শরীরের কোথাও কেটে গেলেও এর ব্যবহার আমরা করে থাকি। এছাড়াও বিভিন্ন কাজে এর ব্যবহার আমরা দেখে থাকি সর্বত্র।
রোজকার জীবনে আমাদের বিভিন্ন কাজে দরকার হয়ে থাকে, যা ক্যালসিয়াম অক্সাইড বা কুইক লাইম নামে পরিচিত। বহুল ব্যবহৃত এই উপাদানটি একটি রাসায়নিক যৌগ যার নাম হল চুন। ক্যালসিয়াম অক্সাইড বা চুন বাজারে তুলনামূলকভাবে খুবই সস্তা।
কীভাবে চুন তৈরি হয় তা হয়তো অনেকেরই অজানা। যার প্রধান উপাদান হল শামুক ও ঝিনুক। প্রথমে ভাটায় শামুক ও ঝিনুক পোড়ানোর বিশেষ চুল্লিতে কাঠের টুকরো, শামুক ও ঝিনুক নিয়মানুযায়ী সাজিয়ে আগুনে পোড়ানো হয়। ২ থেকে ৩ ঘণ্টা পোড়ানোর পর সেগুলো পুড়ে সাদা রঙে রূপান্তরিত হয়।
পোড়া শামুক ও ঝিনুকগুলো ভাটা থেকে নামিয়ে চালুনি দিয়ে চেলে নিতে হয়। তারপর একটি মাটির পাত্রে জলের সঙ্গে মিশিয়ে নিতে হয় চেলে নেওয়া শামুক ও ঝিনুকের গুড়ো গুলি। তারপর বিশেষ হাতা দিয়ে ২০ থেকে ২৫ মিনিট নাড়লে চুনের সাদা রং বেড়িয়ে আসে। তৈরি হয়ে যায় পান খাওয়ার গুরুত্বপূর্ণ উপাদান চুন।
এভাবে ৫০ কেজি পোড়ানো গুড়ো শামুক ও ঝিনুকের সঙ্গে জল মিশিয়ে তা থেকে প্রায় ১৫০ থেকে ১৮০ কেজি চুন পাওয়া যায়। ধবধবে সাদা করতে চুনের সঙ্গে বিচিকলার রস মেশাতে হয়। এরপর তা জালের মাধ্যমে ছেঁকে বিভিন্ন হাটেবাজারে বিক্রয়ের উপযোগী করা হয়। এসব চুন ব্যবহার করে মাছ চাষের জন্য ঘের ও পুকুর প্রস্তুত করা হয়। পানের সাথেও তো খাওয়া হয়ই। এছাড়া পাকা ঘরের দেওয়াল চুন-কাম করতেও ব্যবহৃত হয় এই চুন।
রোজকার জীবনে আমাদের বিভিন্ন কাজে দরকার হয়ে থাকে, যা ক্যালসিয়াম অক্সাইড বা কুইক লাইম নামে পরিচিত। বহুল ব্যবহৃত এই উপাদানটি একটি রাসায়নিক যৌগ যার নাম হল চুন। ক্যালসিয়াম অক্সাইড বা চুন বাজারে তুলনামূলকভাবে খুবই সস্তা।
কীভাবে চুন তৈরি হয় তা হয়তো অনেকেরই অজানা। যার প্রধান উপাদান হল শামুক ও ঝিনুক। প্রথমে ভাটায় শামুক ও ঝিনুক পোড়ানোর বিশেষ চুল্লিতে কাঠের টুকরো, শামুক ও ঝিনুক নিয়মানুযায়ী সাজিয়ে আগুনে পোড়ানো হয়। ২ থেকে ৩ ঘণ্টা পোড়ানোর পর সেগুলো পুড়ে সাদা রঙে রূপান্তরিত হয়।
পোড়া শামুক ও ঝিনুকগুলো ভাটা থেকে নামিয়ে চালুনি দিয়ে চেলে নিতে হয়। তারপর একটি মাটির পাত্রে জলের সঙ্গে মিশিয়ে নিতে হয় চেলে নেওয়া শামুক ও ঝিনুকের গুড়ো গুলি। তারপর বিশেষ হাতা দিয়ে ২০ থেকে ২৫ মিনিট নাড়লে চুনের সাদা রং বেড়িয়ে আসে। তৈরি হয়ে যায় পান খাওয়ার গুরুত্বপূর্ণ উপাদান চুন।
এভাবে ৫০ কেজি পোড়ানো গুড়ো শামুক ও ঝিনুকের সঙ্গে জল মিশিয়ে তা থেকে প্রায় ১৫০ থেকে ১৮০ কেজি চুন পাওয়া যায়। ধবধবে সাদা করতে চুনের সঙ্গে বিচিকলার রস মেশাতে হয়। এরপর তা জালের মাধ্যমে ছেঁকে বিভিন্ন হাটেবাজারে বিক্রয়ের উপযোগী করা হয়। এসব চুন ব্যবহার করে মাছ চাষের জন্য ঘের ও পুকুর প্রস্তুত করা হয়। পানের সাথেও তো খাওয়া হয়ই। এছাড়া পাকা ঘরের দেওয়াল চুন-কাম করতেও ব্যবহৃত হয় এই চুন।
Labels:
West Bengal


No comments: