শিরা বা রগে টান লাগলে.
.
অনেকেই ঘুমানোর সময় হাত-পা, ঘাড় বা শরীরের নানা অংশে রগে টান ধরে শরীরের অংশগুলো বাকিয়ে যায় এবং প্রচণ্ড ব্যথা অনুভব হয়। যেটা খুবই অসহ্য। এটা এতই অসহ্য যন্ত্রণা যে পরের দিনও ব্যথা থেকে যায়। এটা প্রায় সবার ক্ষেত্রেই কম বেশি দেখা যায়। এই শিরা বা রগে টান পড়া বিশেষ করে যখন ঘুমে মাত্র আচ্ছন্ন হয়ে পড়া হয় তখনই অনুভব করা হয়। এটা আসলে স্নায়বিক একটা সমস্যা। এই সমস্যাকে চার্লি হার্সেসও বলা হয়।
প্রচণ্ড রকমের যন্ত্রণার এই সমস্যা থেকে মুক্তি পাননি মার্কিন ম্যাসাজ থেরাপিস্ট ভেলমা ভ্যালোরও। তিনি যখন এই সমস্যা নিরাময়ের জন্য চিকিৎসকের কাছে যান চিকিৎসকরা তখন তাকে সমস্যার সমাধান তাকেই খুঁজে নিতে বলেন। তিনি কিছু উপায় না খুঁজে পেয়ে ঘুমানোর আগে বিছানার চাদরের নিচে সাবান রেখে ঘুমান এবং কিছুদিন পর দেখা যায় সমস্যাটা দেখা দেয়নি। এখন কথা হলো এই সাবানেই কি সেরেছে এই সমস্যা?
যদিও সেরেছে সেটা কিভাবে? স্বাভাবিকভাবেই সে প্রশ্নই মাথায় ঘুরপাক খায় বিষয়টা নিয়ে। এ বিষয়য়ে অবশ্য গবেষকরা কোনো মতামত দিতে পারেনি। তবে ধারণা করা হয় হাত-পা, ঘাড় শরীরের বিভিন্ন অংশে মাংসপেশি বা রগ টান লেগে সমস্যাটা হয় আসলে ম্যাগনেসিয়াম জনিত কারণে।
মেডিক্যাল ইউনিভার্সিটি অফ পেনসিলভেনিয়ার গবেষণায় বলা হচ্ছে প্রায় ৪২ শতাংশ মানুষ এই সমস্যায় ভুগছে আর সাবানে রয়েছে ম্যাগনেসিয়াম। তাই হয়তো সাবানের এই রকম ব্যবহারের ফলে কমলেও কমতে পারে যন্ত্রণাময় সমস্যা। এটা থেকে মুক্তি পেতে আমরা একবার পদ্ধতিটা অবলম্বন করেই দেখতে পারি। তাতে করে সমাধান মিলে যেতে পারে।
অনেকেই ঘুমানোর সময় হাত-পা, ঘাড় বা শরীরের নানা অংশে রগে টান ধরে শরীরের অংশগুলো বাকিয়ে যায় এবং প্রচণ্ড ব্যথা অনুভব হয়। যেটা খুবই অসহ্য। এটা এতই অসহ্য যন্ত্রণা যে পরের দিনও ব্যথা থেকে যায়। এটা প্রায় সবার ক্ষেত্রেই কম বেশি দেখা যায়। এই শিরা বা রগে টান পড়া বিশেষ করে যখন ঘুমে মাত্র আচ্ছন্ন হয়ে পড়া হয় তখনই অনুভব করা হয়। এটা আসলে স্নায়বিক একটা সমস্যা। এই সমস্যাকে চার্লি হার্সেসও বলা হয়।
প্রচণ্ড রকমের যন্ত্রণার এই সমস্যা থেকে মুক্তি পাননি মার্কিন ম্যাসাজ থেরাপিস্ট ভেলমা ভ্যালোরও। তিনি যখন এই সমস্যা নিরাময়ের জন্য চিকিৎসকের কাছে যান চিকিৎসকরা তখন তাকে সমস্যার সমাধান তাকেই খুঁজে নিতে বলেন। তিনি কিছু উপায় না খুঁজে পেয়ে ঘুমানোর আগে বিছানার চাদরের নিচে সাবান রেখে ঘুমান এবং কিছুদিন পর দেখা যায় সমস্যাটা দেখা দেয়নি। এখন কথা হলো এই সাবানেই কি সেরেছে এই সমস্যা?
যদিও সেরেছে সেটা কিভাবে? স্বাভাবিকভাবেই সে প্রশ্নই মাথায় ঘুরপাক খায় বিষয়টা নিয়ে। এ বিষয়য়ে অবশ্য গবেষকরা কোনো মতামত দিতে পারেনি। তবে ধারণা করা হয় হাত-পা, ঘাড় শরীরের বিভিন্ন অংশে মাংসপেশি বা রগ টান লেগে সমস্যাটা হয় আসলে ম্যাগনেসিয়াম জনিত কারণে।
মেডিক্যাল ইউনিভার্সিটি অফ পেনসিলভেনিয়ার গবেষণায় বলা হচ্ছে প্রায় ৪২ শতাংশ মানুষ এই সমস্যায় ভুগছে আর সাবানে রয়েছে ম্যাগনেসিয়াম। তাই হয়তো সাবানের এই রকম ব্যবহারের ফলে কমলেও কমতে পারে যন্ত্রণাময় সমস্যা। এটা থেকে মুক্তি পেতে আমরা একবার পদ্ধতিটা অবলম্বন করেই দেখতে পারি। তাতে করে সমাধান মিলে যেতে পারে।
from Daily Bangla http://bit.ly/2JZ6vlj
Labels:
Entertainment


No comments: