Politics

[Politics][bleft]

West Bengal

[West Bengal][grids]

World

[World][bsummary]

National

[National][twocolumns]

কখন মেয়েদের স্থন ব্যাথা হয় জেনে নিন

অনেক মহিলারই কোনো নাকোনো সময়ে স্তনের ব্যথা অনুভূত হয় চিকিৎসা বিজ্ঞানেএই অবস্থাকে ম্যাস্টালজিয়া বলে হরমোন বা হরমোননির্ভরশীল পরিবর্তন  সমস্যার কারণ স্তনে ব্যথার সাথেসাথে চাকা বা গুটি অনুভূত হয় অনেকে  নিয়ে দুশ্চিন্তাকরেন আসলে এটা খুব মারাত্মক কিছু নয় তবে দুশ্চিন্তারবড় কারণ হতে পারে
হরমোন নির্ভরশীল পরিবর্তন সাধারণত ৫৫ বছর বয়সেরনিচে এবং যেসব মহিলার মাসিক এখনো চলছে তাদের হয়।কোনো কোনো মহিলার মাসিকের আগে ব্যথা  গুটিরসমস্যা বাড়ে। মাসিকের পর কমে যায়। রক্ত নানান হরমোনলেভেল স্তনের টিস্যুকে প্রভাবিত করে। কোনো কোনো সময়ব্যথা খুব তীব্র এবং সব সময় থাকেএই ব্যথা হাতেও ছড়িয়েপড়তে পারে। অনেকে ভাবেন ক্যান্সার হয়েছে। জেনেরাখুন,ক্যান্সারের কারণে স্তনে ব্যথা হয় না। স্তনে গুটি কিংবাম্যাস্টালজিয়া হলে অবশ্যই একজন বিশেষজ্ঞ ডাক্তারেরপরামর্শ নেয়া উচিত। তিনি পরীক্ষা করে কী কারণেঅসুবিধা হচ্ছে তা বলতে পারবেন। অন্য কোনো কারণে গুটিকিংবা ব্যথা হয়েছে কি না তা বের করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।রোগিণীকে আশ্বস্ত করার জন্য  ক্ষেত্রে কিছু বিশেষপরীক্ষার প্রয়োজন হতে পারে
যেমন মেমোগ্রামমেমোগ্রাম স্তনের এক্স-রে। ৩০ বছরবয়সের ওপরে এটা সবচেয়ে বেশি কাজে লাগে। কারণ তখনস্তনের টিস্যু কম গ্লান্ডুলার থাকে এবং এক্স-রে ছবি ভালোআসে আল্ট্রাসাউন্ড অর্থাৎ শব্দতরঙ্গ দিয়ে এই পরীক্ষা করাহয়। ছোট একটা মাইক্রোফোন জাতীয় যন্ত্র স্তনের ওপর ধরাহয় এবং স্তনের গুটিসিস্ট অথবা স্বাভাবিক স্তন এইপরীক্ষায় ধরা পড়ে। সব বয়সের মহিলাদের জন্য এটা একটাঅত্যন্ত কার্যকর পরীক্ষা ফাইন নিডেল এসপিরেশনসাইটোলজির সাহায়ে একটি সূক্ষ্ম সুঁই দ্বারা স্তনের গুটিথেকে কিছু কোষ সরিয়ে তা অণুবীক্ষণ যন্ত্র দ্বারা পরীক্ষাকরা হয়। সাধারণত এই পরীক্ষা করতে খুব একটা কষ্ট হয়না
চিকিৎসা হিসেবে একবার যখন এইচডিসি রোগ ধরা পড়েতখন রোগিণীকে আশ্বস্ত করা যায়। রোগীর যদি উপসর্গ খুববেশি না থাকেকোনো ওষুধপত্রের প্রয়োজন হয় না।বেশিরভাগ মহিলার জন্য এটাই প্রযোজ্য। এইচডিসি নিজেনিজেই ভালো হয়ে যায়তবে কয়েক মাস লাগতে পারে
উপসর্গ যদি থেকে যায় অথবা রোগী যদি উপসর্গের জন্যবেশি কষ্ট পেয়ে থাকেন তাহলে বিভিন্ন রকমের চিকিৎসাকরে দেখা যেতে পারে। যেমনঃ ইভিনিং প্রিমরোজ অয়েলক্যাপসুল। অনেক সময় দেখা গেছেইভিনিং প্রিমরোজঅয়েল ক্যাপসুল খেলে স্তনের ব্যথা এবং চাকা  শক্তভাবকমে যায় বিশেষ করে মাসিকের আগে যখন এসব উপসর্গবাড়ে। সব মহিলার ক্ষেত্রে এটা কাজ না- করতে পারে এবংএটা কাজ করতে কয়েক সপ্তাহ লাগে। ওষুধের দামও বেশি
কেফিন। চা অথবা কফি বেশি খেলে এইচডিসি বাড়তেপারে। চা বা কফি (যেগুলোতে কেফিন থাকেখাওয়া কমিয়েদিলে অনেক সময় এইচডিসি ভালোর দিকে যায়। অনেক সময় দুশ্চিন্তায় মাথাব্যথাঘুম কম হওয়াবিরক্ত হওয়া এবংক্লান্ত হয়ে পড়ার সাথে সাথে ম্যাস্টালজিয়া বাড়তে পারে। এইকারণে দুশ্চিন্ত কমানো প্রয়োজন। রিলাক্সেশন করায়উপকৃত হতে পারেন
সঠিক ফিটিং ব্রা অনেক সময় সাহায্য করেবিশেষ করেআপনি যদি খেলোয়াড় হন যদি উপসর্গ খুব বেশি হয়তাহলে হরমোন থেরাপি দেয়া যেতে পারে। মনে রাখবেন,হরমোন খাবার সময় গর্ভধারণ করা যাবে না। এই ওষুধেরপার্শ্বপ্রতিক্রিয়াও আছে। তাই রোগীর খুব কষ্ট না থাকলেদেয়া উচিত না

সুত্রঃ ইন্টারনেট

No comments: