প্রতিরাতে দুঃস্বপ্ন থেকে মুক্তির উপায়
দুঃস্বপ্ন তো দুঃস্বপ্নই। এটা বাস্তব সময়কেও ভীতিকর করে দিতে পারে। এটা কেবল স্বাস্থ্যকর গভীর ঘুমকেই নষ্ট করে না, আমাদের মন ও আবেগকেও ক্ষতিগ্রস্ত করে। যখন আমরা ঘুমাই তখন আমাদের দেহের ক্ষতি মেরামত হয়। আমাদের হারানো যৌবন যেন ফিরে আসে। ভয়ংকর স্বপ্ন কেউ-ই দেখতে চান না। এটা নানা কারণে ঘটতে পারে। আপনি হয়তো জানেন না, দুঃস্বপ্নও আটকানো যায়। বিশেষ চিকিৎসায় থাকলে এবং ওষুধ গ্রহণ করলে এর রাসায়নিক উপাদান মস্তিষ্কে প্রভাববিস্তার করে এবং দুঃস্বপ্ন ডেকে আনতে পারে। উপায় আছে এ থেকে মুক্তি পাওয়ার। এখানে নিন বিশেষজ্ঞের পরামর্শ।
বিশেষজ্ঞের কাছে যান
প্রথমেই একজন বিশেষজ্ঞের দ্বারস্থ হতে হবে। চলমান সমস্যা নিয়ে কথা বলবেন তার সঙ্গে। আসরে স্লিপ অ্যাপনিয়া, আরইএম ডিসঅর্ডার, অ্যানজাইটি কিংবা অন্য কারণে দুঃস্বপ্ন দেখা দিতে পারে। বিশেষজ্ঞ মুক্তির পথ দেখাতে পারেন।
স্ট্রেস কমাতে হবে
দুঃস্বপ্নের মূল কারণের একটি নিদারুণ স্ট্রেস। এটা আমাদের উদ্বেগ বাড়ায়। স্বাস্থ্যের জন্যেও হুমকি। এটা আপনার দুঃস্বপ্নও ডেকে আনে। ইয়োগা, মেডিটেশন এবং ব্যায়ামের মাধ্যমে দেহ-মনকে আরাম দিতে পারেন।
ঘুমের অভ্যাস বদলান
ঘুমের সময় খুব বেশি পরিবর্তনের কথা বলা হচ্ছে না। যে বিষয়গুলো ঘুমের ব্যাঘাত ঘটায় সেগুলো থেকে দূরে থাকুন। শোবার ঘরের পরিবেশ সুন্দর ও পরিচ্ছন্ন রাখুন। স্বাভাবিক আরামদায়ক তাপমাত্রা যেন বজায় থাকে। খুব বেশি গরম বা শীতল ঘরে ঘুমাবেন না।
নীল আলোর প্রভাব
প্রযুক্তিপণ্যের পর্দা থেকে যে নীল আলো বেরোয় তা মস্তিষ্ককে উত্তেজিত করে রাখে। এতে ঘুমের গুণগত মান নষ্ট হয়। মস্তিষ্কের উত্তেজনা দুঃস্বপ্ন হিসেবে দেখা দিতে পারে। তাই ঘুমের আগে স্মার্টফোন বা এ ধরনের পণ্য থেকে দূরে থাকতে হবে।
ইমাজেরি রিহার্সেল ট্রিটমেন্ট
এটা মস্তিষ্কের এক ধরনের থেরাপি। এতে মস্তিষ্কের উত্তেজনা প্রশমিত হয়। ঘুমাতে যাওয়ার আগে এবং ঘুম থেকে ওঠার পর এমন কোনো ছবি বা দৃশ্য বা প্রিয়জনের চেহারা মনে করবেন যা আপনাকেক ভালোলাগার অনুভূতি দেয়।
শেয়ার করুন
এ বিষয়টা নিয়ে কারো সঙ্গে কথা বলুন। আস্থাভাজন ও অভিজ্ঞ কারো সঙ্গে শেয়ার করুন বিষয়টা। তিনি আপনাকে কিছু পরামর্শ দিতে পারবেন। এতে ভালো বোধ হবে। উপকারও মিলবে।
সংগৃহীত
from ap bangla | অ্যানালিটিক্যাল প্রেস | Analytical Press | http://bit.ly/2KlDvoJ
Labels:
Entertainment




No comments: