রথের পৌরাণিক কাহিনী
শ্রীমদ্ভাগবতে আছে ,যে ব্যক্তি রথে চড়ে জগন্নাথদেবকে বিশ্বব্রহ্মান্ড দর্শন করাবেন অথবা শ্রী ভগবানের রূপ দর্শন করাবেন ভগবান তাদের প্রতি অশেষ কৃপা বর্ষণ করেন। বৃহন্নারদীয় পুরাণে আছে,ভগবান নারায়ন লক্ষ্মী দেবীকে বলেছেন, " পুরুষোত্তম ক্ষেত্র নামক ধামে আমার কেশব-মূর্তি বিরাজমান । মানুষ যদি কেবল সেই শ্রীবিগৃহ দর্শন করে তবে অনায়াসে আমার ধামে আমার কাছে ফিরে আসতে পারেন। " এছাড়া বিষ্ণুপুরাণেও এর মহিমা ও পুণ্যফলের কথা বিধৃত হয়েছে।
মহারজা ইন্দ্রদ্যুম্ন একদিন নদীতে কাঠ ভেসে আসতে দেখেন এবং তিনি দৈব নির্দেশে মন্দির নির্মাণ করে সেখানে শ্রীবিগৃহ নির্মাণের দায়িত্ব দিলেন এক কারুশিল্পীর হাতে ;এই কারুশিল্পী ছিলেন বিশ্বকর্মা যা মহারাজের কাছে জানা ছিল না এবং কারুশিল্পীর শর্ত ছিল যে নির্মাণ কাছ সমাপ্ত না হওয়া পর্যন্ত মন্দিরের দরজা যেন না খোলে কিন্তু কয়েক দিন পর মহারাজ শর্ত উপেক্ষা করে কৌতহূল বশত তিনি জীবিত আছেন কিনা তা জানতে চাইলে দরজা খুলেন কিন্তু তখনও বিগৃহের হাত তৈরি না হ ওয়ায় জগন্নাথদেবের এই হস্তহীন রূপে প্রকটিত হয় ।
Labels:
Rath


No comments: