Politics

[Politics][bleft]

West Bengal

[West Bengal][grids]

World

[World][bsummary]

National

[National][twocolumns]

আজব এই রোগের নাম ‘নোমোফোবিয়া’


উপহার হিসেবে একসঙ্গে হাজারো সুবিধা দিতে স্মার্টফোনই সেরা। যখন তখন আপনার নানা ধরনের প্রয়োজন মেটাতে এই ফোনের বিকল্প নেই। আর তাইতো দিনে দিনে আপনার কাছে স্মার্ট ফোনের কদর বেড়ে চলেছে অনেক বেশি। ব্যবহার্য অন্যান্য জিনিসের তুলনায় স্মার্টফোনটি দখল করে নিয়েছে মনের সবচেয়ে আদরের জায়গাটি।

 পছন্দের ফোনটি হাতে না থাকলে অস্থির হয়ে যান। কিছুতেই যেন মন বসে না। ভালো লাগা খারাপ লাগার অনেক কিছুই আজকাল ফোনকে ঘিরে- বিজ্ঞানীরা এই সমস্যাকে নাম দিয়েছেন ‘নোমোফোবিয়া’। এসব আচরণ আপনার কাছে স্বাভাবিক মনে হলেও বাস্তবে তা একটা রোগের নাম বটে। এই রোগ আপনার আচরণকে অস্বাভাবিক করে দিচ্ছে। তাই মিলিয়ে নিন, আপনিও নোমোফোবিয়ায় আক্রান্ত নন তো?

১। যুক্তরাষ্ট্রের আইওয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা দেখেছেন, কিছু লোকের মোবাইলের চার্জ শেষ হয়ে গেলে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। যেন মোবাইল বন্ধ হয়ে গেলে জীবনই অচল। এমন হলে বুঝতে হবে আপনিও নোমোফোবিয়ায় আক্রান্ত হয়েছেন বা অচিরেই হবেন।
২। কারো অভ্যাস এমনই যে, আশেপাশের মানুষের সঙ্গে কোনো কথায় চলে না আবার ইন্টারনেটে সারাদিন আড্ডাবাজি চলে। স্মার্টফোনের ইন্টারনেট সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গেলে তারা হা-হুতাশ শুরু করেন। এমন আসক্তি বেড়ে ‘নোমোফোবিয়া’-র সীমা ছুঁয়েছে বলে ধরে নেয়া যায়।
৩। যেকোনো সমস্যায় ফোন থেকে কল বা এসএমএস না গেলে খুব অস্থির হয়ে পড়ছেন। নিজেকে অসহায় ভাবছেন। তাহলে বুঝতে হবে।
আপনিও‘নোমোফোবিয়ায়’ আক্রান্ত। এই সমস্যা ফোনে রিচার্জ না করতে পারলেও হতে পারে।
৪। স্মার্টফোন মানুষ এতটাই নির্ভরশীল করে ফেলেছে যে, রাতে ঘুমের মধ্যেও ফোনের খোঁজ নিতে ভোলেন না। মোবাইল ফোনের ওপর হাত না থাকলে ঠিকমতো ঘুমই হয় না। নোমোফোবিয়া-র চূড়ান্ত লক্ষণ এটা।
এই অভ্যাসগুলো আপনাকে দিন দিন অসামাজিক করে তুলতে পারে। নিজের সহ পাশের কারো প্রতি যত্নশীল হতে বাধা দেয়। জগৎ সংসারের অন্য সব কাজেই আপনার অবহেলা দেখা দিতে পারে। তাই বেখেয়ালে যদি এমন অভ্যাস তৈরি হয়েও যায় তবে তা বাদ দেয়ার চেষ্টা করুন।

No comments: