Politics

[Politics][bleft]

West Bengal

[West Bengal][grids]

World

[World][bsummary]

National

[National][twocolumns]

দিলীপের আচমকা তৃণমূল আনুগত্যে প্রশ্ন বিজেপিতেই


কলকাতা,: বিরোধী দলের প্রধানই যদি শাসকদলের আনুগত্য স্বীকার করতে শুরু করেন, তাহলে বিরোধিতার পরিস্থিতি কী, তা সহজেই অনুমেয়। ঠিক এমনটাই ঘটছে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য রাজনীতিতে।

কেন হাতে গরম ইস্যু পেয়েও রাজ্য বিজেপি তার সদ্ব্যবহার করতে পারল না, তা নিয়েই উঠছে প্রশ্ন। প্রশ্ন উঠেছে, তবে কি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে আপোষের পথ নিয়েছেন দিলীপ ঘোষ?
 

সম্প্রতি পুরসভার সংশোধনী বিল পেশ করা হয়েছিল বিধানসভায়। সেই সংশোধনী বিল নিয়ে কংগ্রেস ও বামেরা ওয়াকআউট করলেও, বিজেপি ওই বিলকে সমর্থন দেয়।

বিজেপিতে দিলীপ ঘোষের বিরোধী গোষ্ঠীর নেতারা এমন নালিশ করতে পারেন কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের কাছে। তারপরই কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব দিলীপের সিদ্ধান্তে ক্ষোভ প্রকাশ করেছে।

শোভন চট্টোপাধ্যায় মন্ত্রিত্ব থেকে ইস্তফা দেওয়ার পরই তাঁর বিজেপিতে যোগের সম্ভাবনা নিয়ে যে মন্তব্য করেছিলেন দিলীপ ঘোষ, তা নিয়েও দলের অন্দরে সমালোচিত হচ্ছেন তিনি। দিলীপ ঘোষ বলেন, দলের দরজা আর বড় করা হয়েছে, তবে সেই দরজায় জাল লাগানো হয়েছে, যাতে যে কেউ না গলে যেতে পারে।এরপর অবশ্য দিলীপ ঘোষ ১৮০ ডিগ্রি ঘুরে যান। শোভনের বিজেপিতে যাওয়া নিয়ে তিনি বলেন, বিজেপি দরজা খুলেই রেখেছে। ইচ্ছা করলেই আসতে পারেন যে কেউ। কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের বার্তা আসার পরই মত বদলে যায় তাঁর। তারপর আরএসএসও শোভনকে নিয়ে ইতিবাচক বার্তাই দেন।

শাসক দলের প্রতি এখন অনেক নরন মনোভাব দেখাচ্ছেন দিলীপ ঘোষ। কেন এই বদল, তা নিয়েই জল্পনা তৈরি হয়েছে। রাজনৈতিক মহল মনে করছে এলপিজি কেলেঙ্কারির জেরেই দিলীপ ঘোষ এমন নকম মনোভাব নিতে পারেন। সম্প্রতি দিলীপ ঘোষ ঘনিষ্ঠ নেতাকে লালবাজারে ডেকে জেরা করা হয়েছে। আর সেই কারণেই দিলীপ এখন নরম অবস্থান নিয়ে চলছে বলে ধারণা।

No comments: