ট্রান্সফার সার্টিফিকেটে চাইতে গিয়ে প্রধান শিক্ষকের হাতে হেনস্থা ছাত্রীর
কন্যাশ্রী প্রকল্পের সাহায্যের জন্য প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ট্রান্সফার সার্টিফিকেট চাইতে গিয়ে প্রধান শিক্ষকের হাতে চরম হেনস্থার শিকার হতে হল ষষ্ট শ্রেণীর এক নাবালিকা স্কুল ছাত্রীকে এছাড়াও নিজের ঘরে নিয়ে গিয়ে ঐ ছাত্রীর শ্লীলতাহানি করে বলে অভিযোগ।ঘটনাটি ঘটেছে উত্তর ২৪ পরগনার গারুলিয়া বিপিন বিহারী গাঙ্গুলী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষকের নাম কাঞ্চন দাস(59)। ওই স্কুল ছাত্রী চতুর্থ শ্রেণী পর্যন্ত গারুলিয়া বিপিন বিহারী গাঙ্গুলী প্রাইমারী স্কুলে পড়েছে । চতুর্থ শ্রেণী পাশ করার পর ওই স্কুল ছাত্রী বর্তমানে শ্যামনগর ব্রহ্মময়ী বালিকা বিদ্যালয়ে পাঠরত। তাকে কন্যাশ্রী প্রকল্পের আওতাভুক্ত করতে বর্তমানে পাঠরত শ্যামনগর ব্রহ্মময়ি বালিকা বিদ্যালয় পুরনো প্রাইমারী স্কুল থেকে ট্রান্সফার সার্টিফিকেট নিয়ে এসে জমা করতে নির্দেশ দেয় । সেই সার্টিফিকেট আনতে সোমবার ওই প্রাইমারী স্কুলে আসলে স্কুলের প্রধান শিক্ষক ওই ছাত্রীর থেকে ৬৫০ টাকা দাবী করে এবং অশালীন আচরণ করে বলে অভিযোগ। প্রধান শিক্ষক কাঞ্চন দাস তার বিরুদ্ধে ওঠা ওই ছাত্রীকে শ্লীলতাহানির অভিযোগ অস্বীকার করে জানান স্কুলে ট্রান্সফার সার্টিফিকেট না থাকায় বর্তমানে কাউকে ট্রান্সফার সার্টিফিকেট দেওয়া সম্ভব নয়।এরপর ছাত্রীর পরিবারের পক্ষ থেকে নোয়াপাড়া থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। পুলিশ অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষক কাঞ্চন দাসকে 8 POCSO আইন অনুযায়ী গ্রেফতার করেছে।


No comments: