সংখ্যালঘু অধিকার দিবস পালন বিভিন্ন সংগঠন ও কমিশনের
কলকাতা, ১৮ ডিসেম্বর: মঙ্গলবার সংখ্যালঘু অধিকার দিবস পালন করল বিভিন্ন সংগঠন। সেই সাথে রাজ্য সংখ্যালঘু কমিশনের পক্ষ থেকেও দিনটি পালন করা হয়। কমিশনের অনুষ্ঠানটি হয় চেতলার অহিন্দ্র মঞ্চে।
এদিন রাজ্যের গ্রন্থাগার মন্ত্রী সিদ্দিকুল্লাহ চৌধুরী বলেন,"দেশটা আমাদের,আতঙ্ক কাটিয়ে মানসিক ভাবে শক্তিশালী হতে হবে সংখ্যালঘুদের। একটা ভয় ভীতির পরিবেশ তৈরির চেষ্টা হচ্ছে। কিন্তু এতে ভয় পেলে চলবে না। দেশে সাম্প্রদায়িক রাজনীতির কোনও জায়গা নেই।"
সংখ্যালঘু কমিশনের চেয়ারম্যান আবু আয়েশ মন্ডল সংখ্যালঘুদের সাংবিধানিক অধিকার নিয়ে আলোচনা করেন । সেই সাথে সাংবিধানিক অধিকার যাতে সংখ্যালঘুরা পায় তার ব্যবস্থা সরকারকে করতে হবে বলেও তিনি জানান। খ্রিস্টান, বৌদ্ধ, শিখ সহ বিভিন্ন সংখ্যালঘুরা এদিন উপস্থিত ছিলেন। তবে সভায় সংখ্যালঘু মানুষের উপস্থিতি তেমন ছিলোনা। বহু চেয়ার ফাঁকা ছিল। আবু আয়েশ মন্ডল অবশ্য বলছেন, লোক যেমন হওয়ার তেমন হয়নি এটা ঠিক কিন্তু আগের বছরের চেয়ে বেশি হয়েছে।
এদিকে সংখ্যালঘু যুব ফেডারেশনের পক্ষ থেকে কলকাতার বৌদ্ধ ধর্মাঙ্কুর সভা হলে দিনটি পালন করা হয়।
ওই সংগঠনের সম্পাদক মুহাম্মদ কামারুজ্জামান বলেন,'আজ সংখ্যালঘু সমাজ শিক্ষিত ও সচেতন হচ্ছে,দেশ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। কিন্তু রাজনৈতিক শক্তি সব সময় একটা আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি করেছে। প্রতিটি দেশের সংখ্যাগুরু মানুষের উচিত সংখ্যালঘু মানুষদের পাশে দাঁড়ানো।"
বৌদ্ধ ধর্মাঙ্কুর হলে বেঙ্গল বুদ্ধিস্ট এসোসিয়েশনের সভাপতি হেমেন্দু বিকাশ চৌধুরী বলেন," বিচার প্রক্রিয়ার দীর্ঘসূত্রিতা হতাশা নিয়ে আসে। ৩৪ বছর পর শিখ গণহত্যার একটা বিচার হয়েছে। গুজরাট দাঙ্গার বিচার দ্রুত করতে হবে। আজকের এই সংখ্যালঘু দিবসে এই ব্যাপারে সুপ্রিমকোর্টের কাছে আমাদের আবেদন রইল।"
এদিন রাজ্যের গ্রন্থাগার মন্ত্রী সিদ্দিকুল্লাহ চৌধুরী বলেন,"দেশটা আমাদের,আতঙ্ক কাটিয়ে মানসিক ভাবে শক্তিশালী হতে হবে সংখ্যালঘুদের। একটা ভয় ভীতির পরিবেশ তৈরির চেষ্টা হচ্ছে। কিন্তু এতে ভয় পেলে চলবে না। দেশে সাম্প্রদায়িক রাজনীতির কোনও জায়গা নেই।"
সংখ্যালঘু কমিশনের চেয়ারম্যান আবু আয়েশ মন্ডল সংখ্যালঘুদের সাংবিধানিক অধিকার নিয়ে আলোচনা করেন । সেই সাথে সাংবিধানিক অধিকার যাতে সংখ্যালঘুরা পায় তার ব্যবস্থা সরকারকে করতে হবে বলেও তিনি জানান। খ্রিস্টান, বৌদ্ধ, শিখ সহ বিভিন্ন সংখ্যালঘুরা এদিন উপস্থিত ছিলেন। তবে সভায় সংখ্যালঘু মানুষের উপস্থিতি তেমন ছিলোনা। বহু চেয়ার ফাঁকা ছিল। আবু আয়েশ মন্ডল অবশ্য বলছেন, লোক যেমন হওয়ার তেমন হয়নি এটা ঠিক কিন্তু আগের বছরের চেয়ে বেশি হয়েছে।
এদিকে সংখ্যালঘু যুব ফেডারেশনের পক্ষ থেকে কলকাতার বৌদ্ধ ধর্মাঙ্কুর সভা হলে দিনটি পালন করা হয়।
ওই সংগঠনের সম্পাদক মুহাম্মদ কামারুজ্জামান বলেন,'আজ সংখ্যালঘু সমাজ শিক্ষিত ও সচেতন হচ্ছে,দেশ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। কিন্তু রাজনৈতিক শক্তি সব সময় একটা আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি করেছে। প্রতিটি দেশের সংখ্যাগুরু মানুষের উচিত সংখ্যালঘু মানুষদের পাশে দাঁড়ানো।"
বৌদ্ধ ধর্মাঙ্কুর হলে বেঙ্গল বুদ্ধিস্ট এসোসিয়েশনের সভাপতি হেমেন্দু বিকাশ চৌধুরী বলেন," বিচার প্রক্রিয়ার দীর্ঘসূত্রিতা হতাশা নিয়ে আসে। ৩৪ বছর পর শিখ গণহত্যার একটা বিচার হয়েছে। গুজরাট দাঙ্গার বিচার দ্রুত করতে হবে। আজকের এই সংখ্যালঘু দিবসে এই ব্যাপারে সুপ্রিমকোর্টের কাছে আমাদের আবেদন রইল।"
Labels:
West Bengal


No comments: