Politics

[Politics][bleft]

West Bengal

[West Bengal][grids]

World

[World][bsummary]

National

[National][twocolumns]

চার বিয়ে করে ইচ্ছা ছিল ফের আরও তিনের! শ্রীঘরে যুবক

   
কলকাতা, 5 ডিসেম্বর : বিয়ে করে টাকা হাতানোর মোক্ষম পন্থা বার করেছিল সে। কিন্তু শেষপর্যন্ত হল না শেষরক্ষা। দীঘা থেকে তাকে পাকড়াও করল সরশুনা থানার পুলিশ।

 কখনও অভিজিৎ মণ্ডল। কখনও আবার শেখ মুজিবর রহমান। দুই নামেই বিয়ে করেছেন গোটা চারেক। কিন্তু তাতেও মেটেনি শখ। আরও বিয়ে করার চেষ্টা চালাচ্ছিল সে। কথা চলছিল একসঙ্গে তিন যুবতীর পরিবারের সঙ্গেও।

তাঁর ভোটার কার্ডে নাম অভিজিৎ মণ্ডল। আধার কার্ডে নাম শেখ মুজিবর রহমান। পুলিশ সূত্রে খবর, গত ৮ অগাস্ট একটি অভিযোগ জমা পড়ে সরশুনা থানায়। অভিযোগে বলা হয়, চার বউ থাকার পরও বিয়ে করতে চলেছেন এক যুবক। একটি প্রথম শ্রেণির বাংলা দৈনিকে বিজ্ঞাপন দিয়েছেন তিনি। এরপর তদন্তে নামে পুলিশ। যা তথ্য উঠে আসে তাতে চোখ ছানাবড়া হওয়ার জোগাড় হয় খোদ পুলিশেরই।

জানা যায়, খেলাটা চলছে বেশ কয়েক বছর ধরেই। অভিজিৎ নাম নিয়ে এক হিন্দু যুবতিকে বিয়ে করেছেন তিনি। আবার মুজিবর নামে তিন মুসলিম যুবতিকে। এদের প্রত্যেকের থেকেই নানাভাবে টাকা চাওয়া হয় বলে অভিযোগ। অভিজিৎয়ের বায়নাক্কা মেটাতে মেটাতে এই চার যুবতীর পরিবার বীতশ্রদ্ধ।

 এরই মাঝে তার এক স্ত্রী দেখতে পান খবরের কাগজে তার বিজ্ঞাপন। এরপর তিনি অভিযোগ দায়ের করেন থানায়। তদন্তে নেমে পুলিশ জানতে পারে, বিজ্ঞাপন সূত্রে তিন যুবতীর পরিবারের সঙ্গে বিয়ের কথা চলছে অভিযুক্তের। পুলিশ তদন্ত নেমেছে জানতে পারায় পালিয়ে যায় সে। প্রায় চার মাসের চেষ্টায় সোমবার রাতে দিঘার একটি হোটেল থেকে আটক করা হয় তাকে।

শুধু বিয়ে নয়। অভিযুক্তের আরও গুন আছে বলে জানতে পেরেছে পুলিশ। নিজেকে সিঅারপিএফ (সেন্ট্রাল রিজ়ার্ভ পুলিশ ফোর্স)-এর কর্মী হিসাবে পরিচয় দিয়ে বেশ কিছু বেকার যুবককে চাকরি দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে টাকাও তুলেছে। দু'লাখেরও বেশি টাকা বেকার যুবকদের থেকে প্রতারিত করে তুলেছে বলে খবর রয়েছে পুলিশের কাছে। বিষয়টির তদন্ত শুরু হয়েছে।

No comments: