তৃণমূলের গোষ্ঠী সংঘর্ষে মৃত্যু হলো স্কুল শিক্ষকের
কোচবিহার:তৃণমূল কংগ্রেসের দুই গোষ্ঠী মাদার ও যুবর মধ্যে সংঘর্ষে ফের উত্তপ্ত হয়ে উঠল দিনহাটার গিতালদহ এলাকা। আজ সকালে গিতালদহের হরিরহাট নবনী এলাকার একটি নার্সারি স্কুল আনন্দ পাঠ শিক্ষা নিকেতন ওই ঘটনা ঘটেছে। ওই ঘটনায় তিন জন আহত হয়েছে। এদের মধ্যে দু’জন গুলিবিদ্ধ অবস্থায় রয়েছে বলে জানা গিয়েছে। গুলিবিদ্ধ দুজনের মধ্যে মনোয়ার হোসেন একটি প্রাথমিক স্কুলের শিক্ষক। অন্যজন মজনু হক ওই নার্সারি স্কুলের শিক্ষক বলে জানা গিয়েছে। তাঁদের প্রথমে দিনহাটা মহকুমা হাসপাতালে ভর্তির জন্য নিয়ে আসা হয়। এরমধ্যে মনোয়ার হোসেনের অবস্থা আশঙ্কাজনক থাকায় তাঁকে কোচবিহারে রেফার করা হয়েছে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় দিনহাটার বিশাল পুলিশ বাহিনী।
তৃণমূল কংগ্রেসের দিনহাটা ১নং ব্লক সভাপতি নুর আলম হোসেন বলেন, আমাদের কয়েকজন কর্মী হাজিরা দেওয়ার জন্য দিনহাটা থানার দিকে আসছিল সেই সময় আবুয়াল আজাদের ছেলের নেতৃত্বে আমাদের কর্মীদের ওপর গুলি চালানো হয়। বাঁশ লোহার রড দিয়েও মারধোর করা হয়। এতে আমাদের দু’জন কর্মী আহত হয়েছে। এদের গুলি লেগেছে কিনা এখনও বোঝা যাচ্ছে না। তবে তাঁদের অবস্থা আশঙ্কাজনক। অন্যদিকে তৃণমূল যুব কংগ্রেসের নেতা হিসেবে পরিচিত আবুয়াল আজাদ বলেন, এদিন প্রথমে মাদার গোষ্ঠীর লোকরা গিতালদহ ২ নং গ্রাম পঞ্চায়েত দপ্তরের সামনে আমার ভাইপো আবু সায়েদ মিয়াঁকে ধরে মারধোর করে। খবর পেয়ে আমার ছেলে সেখানে যাওয়ার পথে মনোয়ার হোসেনের নেতৃতে গুলি চালানো হয়। পরে এলাকার বাসিন্দারা তাঁদের ধরে গণধোলাই দেয়।
তৃণমূল কংগ্রেসের দিনহাটা ১নং ব্লক সভাপতি নুর আলম হোসেন বলেন, আমাদের কয়েকজন কর্মী হাজিরা দেওয়ার জন্য দিনহাটা থানার দিকে আসছিল সেই সময় আবুয়াল আজাদের ছেলের নেতৃত্বে আমাদের কর্মীদের ওপর গুলি চালানো হয়। বাঁশ লোহার রড দিয়েও মারধোর করা হয়। এতে আমাদের দু’জন কর্মী আহত হয়েছে। এদের গুলি লেগেছে কিনা এখনও বোঝা যাচ্ছে না। তবে তাঁদের অবস্থা আশঙ্কাজনক। অন্যদিকে তৃণমূল যুব কংগ্রেসের নেতা হিসেবে পরিচিত আবুয়াল আজাদ বলেন, এদিন প্রথমে মাদার গোষ্ঠীর লোকরা গিতালদহ ২ নং গ্রাম পঞ্চায়েত দপ্তরের সামনে আমার ভাইপো আবু সায়েদ মিয়াঁকে ধরে মারধোর করে। খবর পেয়ে আমার ছেলে সেখানে যাওয়ার পথে মনোয়ার হোসেনের নেতৃতে গুলি চালানো হয়। পরে এলাকার বাসিন্দারা তাঁদের ধরে গণধোলাই দেয়।


No comments: