স্বস্তিকার নগ্নতা নিয়ে পরিচালকের সাফাই
আমাদের এই ফিল্মের জগত্টা বড় হিপোক্রেটিক৷ দ্বিচারিতায় ভর্তি৷ এঁদের মুখোশ খোলার জন্যই ‘টেক ওয়ান' ছবিটি৷ ওয়াং-কার-ওয়াই দেখে হাততালি দেব, তারান্তিনো দেখে লাফাব– আর বাংলা ছবিতে ‘কিছু' দেখানো হলেই সমাজ গেল, সংস্কার গেল, ঐতিহ্য গেল বলে রব ওঠাব!" বেশ গম্ভীর গলাতেই কথাগুলো বললেন ‘টেক ওয়ান' ছবির পরিচালক মৈনাক ভৌমিক৷
এই সপ্তাহেই মুক্তি পাচ্ছে ‘টেক ওয়ান'৷ ইতিমধ্যে ছবিটি নিয়ে আলোচনা-তর্ক শুরু হয়েছে৷ মৈনাক বললেন– "সবটাই হচ্ছে বিষয়টা না জেনে৷ আমরা চাই, ছবিটা দেখার পর হেলদি আলোচনা হোক৷" কেন তর্ক? কেন আলোচনা? এই ছবিতে নায়িকা স্বস্তিকার ফ্রণ্টাল ন্যুডিটি দেখানো হয়েছে, যেমনটি বাংলা ছবিতে কখনও হয়নি৷
পরিচালক, নায়িকা অস্বীকারও করেননি, বরং তাঁরা এমন ‘সাহসী' হতে পেরে গর্বিত৷ আসলে এই ছবির নায়িকা একজন অভিনেত্রী৷ সে যেমন একটা বিদেশি ছবিতে শারীরিক খোলামেলা দৃশ্যে অভিনয় করে, তেমনই ‘রামায়ণ'-এর সীতাও হয়৷ এই সমাজের কিছু লোক মনে করে যে মহিলা ক্যামেরার সামনে শালীনতা বজায় রাখতে জানে না, তাঁর কোনও অধিকার নেই সতী-সাধবী ‘সীতা' হওয়ার৷ এই নিয়েই গোলযোগ৷
এমনই- বিতর্কের ঝোড়ো হাওয়ায় এসে পড়ে এক তরুণ সাংবাদিক (রাহুল)৷ সে কিন্তু অভিনেত্রীর পাশে এসে দাঁড়ায়৷ শুধু সমব্যথী হয়ে নয়৷ সে চেষ্টা করে অভিনেত্রীর প্রকৃত সত্তাটি বের করে আনতে৷ এবং একই সঙ্গে এক্সপোজ করে সাধারণ দর্শক ও মানুষের দ্বিচারিতা৷
সেদিনের সাংবাদিক আসরে মৈনাক-স্বস্তিকা ছাড়াও উপস্হিত ছিলেন সংগীতকার ময়ূখ ভৌমিক, প্রযোজক ফিরদৌসুল হাসান, কার্যনির্বাহী প্রযোজক-অভিনেতা অরিন্দম শীল, নায়ক রাহুল এবং ছবির খুদে অভিনেতা স্বস্তিকা-কন্যা অন্বেষা মুখোপাধ্যায়৷
from Daily Bangla http://bit.ly/2MaFXjJ
Labels:
Entertainment


No comments: