কীভাবে প্রাকৃতিক উপায়ে স্ট্যামিনা বাড়াবেন?
কাজের চাপ বাড়ার সাথে সাথে কমছে পরিশ্রম করার ক্ষমতা? ক্লান্তি এমনভাবে গ্রাস করছে যে কোনও কাজে হাত দেওয়ার মতো মনের জোর পাচ্ছেন না? এইরকম পরিস্থিতির অর্থ হচ্ছে আপনার স্ট্যামিনা কম। স্ট্যামিনা বেশি থাকলেই একমাত্র আপনি শারীরিক ও মানসিক চাপের সঙ্গে লড়াই চালাতে পারবেন। স্ট্যামিনা বলতে আমরা সাধারণত শারীরিক কর্মক্ষমতার কথাই বুঝি, কিন্তু স্ট্যামিনার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত থাকে ‘এন্ডুওরেন্স’-ও। এই এন্ডুওরেন্স বা সহ্যশক্তিই আপনাকে চাপের সঙ্গে লড়তে সাহায্য করবে।
• দুম করে কারও স্ট্যামিনা বাড়ে না, অনুশীলন চালিয়ে গেলে ধীরে ধীরে আপনার শারীরিক সক্ষমতা ও শক্তি বাড়তে আরম্ভ করবে। প্রতিদিন ব্যায়াম করতে হবে। কিন্তু হুট করে কঠিন ব্যায়ামের দিকে ঝুঁকবেন না, ধীরে ধীরে তীব্রতা বাড়ালেই ভালো করবেন। তবে শরীরকে প্রয়োজনের চেয়ে বেশি খাটালে কিন্তু হিতে বিপরীত হতে পারে।
• নিয়ম মেনে খাওয়াদাওয়া করুন। এমন খাবার খান যা আপনাকে শক্তি দেবে, পুষ্টির ঘাটতি মেটাবে। ভিটামিন সি, প্রোটিন, আয়রন আর জটিল কার্বোহাইড্রেট অতি অবশ্যই রাখুন খাদ্যতালিকায়। অতিরিক্ত লবণ বা চিনি দুটোই সমান খারাপ৷ সবুজ সবজি, ওটমিল, কলা, চর্বিছাড়া মাংস, টাটকা মাছ, ডিম, দুধ অবশ্যই রাখুন খাদ্যতালিকায়। এর ফলে এনার্জি স্তরে ঘাটতি হবে না, রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বাড়বে, মাসল আর টিস্যুর পুনর্গঠনের কাজে গতি আসবে।
• জল খাওয়ার পরিমাণ বাড়ান। জল কম খেলে কোষের আকার ছোট হয়ে যায়, মাসল স্থিতিস্থাপকতা হারাতে আরম্ভ করে৷ যতটা পারেন জল পান করুন, সেই সঙ্গে ফলের রস, ভেজিটেবিল জুস, স্যুপও খেতে পারেন।
• ঘুমের সঙ্গে সমঝোতা করবেন না। শরীর যেন ক্লান্ত না থাকে সেটা দেখতে হবে। আর ক্লান্তি কাটানোর সেরা উপায় হচ্ছে ঘুম। নির্দিষ্ট সময়ে খাওয়া আর ঘুম একান্ত অপরিহার্য। খেয়ে উঠেই শুতে যাবেন না, অন্তত ঘণ্টাখানেক হাঁটাচলা বা কোনও না কোনও কাজ করুন।
• অতিরিক্ত মদ্যপান ও ধূমপান চলবে না। মদ্যপান ও ধূমপান আপনার শারীরিক সক্ষমতাকে কখনওই তুঙ্গে পৌঁছতে দেয় না, তা এনডুওরেন্স কমায়। তার চেয়ে নিয়ম করে খেলাধুলো করুন, উপকার পাবেন।
সংগৃহীত
from ap bangla | অ্যানালিটিক্যাল প্রেস | Analytical Press | http://bit.ly/2EVljht
Labels:
Entertainment



No comments: