নাম্বার রেসে থেকে দর্শকের মন বুঝে সিদ্ধান্ত নেবেন আয়ুষ্মান
পরপর চারটে হিট দিয়েছেন আয়ুষ্মান খুরানা। ‘আন্ধাধুন’, ‘বাধাই হো’, ‘শুভ মঙ্গল সাবধান’ এবং ‘বরেলি কি বরফি’। আর এই কারণেই বলিউডে তাঁর চাহিদা আকাশস্পর্শী। খুব স্বাভাবিক ভাবেই এমন ধারাবাহিক বক্স অফিসে সাফল্য যাঁর, তিনি এমন ছবি বেছে নেবেন যা তাঁর স্টারডমকে আরও বেশি করে সমর্থ করবে, এবং সেই ছবি তাঁর আগের ছবির থেকেও বড় হিট হবে। কিন্তু আয়ুষ্মান সেই ঘরনার মানুষ নন। তিনি কখনওই কোনও নাম্বার রেসে থাকেন না। তাঁর নিজের আত্মবিশ্বাস এতটাই যে তিনি ‘আর্টিকল-১৫’-র মতো ছবি বেছে নিতে পারেন অবলীলায়। তাঁর একটাই দর্শন। তিনি দর্শকদের বিশুদ্ধ বিনোদন উপহার দিতে চান এবং পাশাপাশি তাঁদের সঙ্গে একটা সামাজিক এবং অন্তরঙ্গ আলোচনা করতে চান। আয়ুষ্মানের মতো একজন বহুমুখী প্রতিভাবান অভিনেতা এবং যথার্থ অর্থেই একজন স্টার জানালেন, ‘একজন শিল্পী হিসেবে আপনি হয়তো এমন একটি সিনেমা আন্তরিকভাবে বেছে নিলেন, যাতে এই ছবি শেষ পর্যন্ত একটি জোরালো বার্তা দিতে পারে দর্শকদের। কারণ, এই ছবিটি একটি সামাজিক পরিবর্তন ঘটিয়ে ফেলতে পারে একটা আলোচনার সূত্র ধরে। আর্টিকল-১৫-র মতো ছবিতে আমি অভিনয় করতে বাধ্য হলাম, তার কারণ এই ছবিটি তৈরি হওয়া এবং প্রদর্শিত হওয়াটা জরুরি বলে আমার মনে হয়েছে। আমার মনে হয়েছে এই ছবিটি গোটা দেশের দেখা উচিত, বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মের।’ আয়ুষ্মান জানিয়েছেন ধারাবাহিক হিট দেওয়ার পরেও তিনি মোটেই এমন ছবি করার কথা ভাবছিলেন না, যেটা তাঁর আগের ছবির থেকেও বড় হিট হবে। তাঁর মতে, ‘যখন ছবির কনটেন্ট অত্যন্ত জোরালো এবং গুরুত্বপূর্ণ, তখন এই ছবির ওপেনিং কত বড় হবে সেটা নিয়ে ভাবা উচিত নয়। এই ছবিটা করা উচিত কারণ এটা আমার সামাজিক দায়িত্ব। আমি এই ছবিটা করেছি কারণ, এটা আমার কাছে গুরুত্বপর্ণ এই কারণে যে আমি আমার দেশকে সামাজিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ ছবি উপহার দিতে পারি।’ তিনি আরও বলেছেন, ‘আমি যে ধরনের ছবি করে এসেছি, সেগুলি সাধারণ মানুষ দেখেছেন এবং আমার প্রশংসা করেছেন। তাই আমি এই মুহূর্তে এমন একটা জায়গায় রয়েছি যে আমার ছবির ওপেনিং কী হল সেটা নিয়ে আমাকে কেউ বিচার করেন না। আমি যতটা দর্শকদের ভালোবাসা এবং স্বীকৃতি পেয়েছি সেটাই আমাকে আরও সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার এবং ভালো সিনেমার পাশে দাঁড়ানোর সাহস জুগিয়েছে।’
Labels:
Entertainment


No comments: