Politics

[Politics][bleft]

West Bengal

[West Bengal][grids]

World

[World][bsummary]

National

[National][twocolumns]

কলকাতা সহ সারাদেশে কাজ করছে না অ্যান্টিবায়োটিক


শেষ কয়েক বছরে চিকিৎসকরা বারবার বলে আসছেন বিনা পরামর্শে অ্যান্টিবায়োটিক নয়। অল্প একটু জ্বর কিংবা সর্দি হলে ওষুধ দোকানের পরামর্শে মুড়িমুড়কির মতো যে কোনও অ্যান্টিবায়োটিক নিয়ে থাকেন অনেকে। আর এতেই বাড়ছে বিপদ। ক্রমশ ফেল করছে করছে জীবনদায়ী অ্যান্টিবায়োটিকগুলি। সম্প্রতি ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অফ মেডিক্যাল রিসার্চ  একটি প্রকাশিত একটি রিপোর্টে বলা হয়েছে দ্রুতগতিতে অ্যান্টিবায়োটিক ফেল করার পেছনে রয়েছে পাচক নালীতে থাকা একধরণের অণুজীবী৷
অনিয়মিত অ্যান্টিবায়োটিক সেবন। ওষুধের কোর্স সম্পূর্ণ না করা। কিংবা মাঝ পথে ওষুধ বন্ধ করে দেওয়ার কারণেই পাচক নালীতে থাকা অনুজীবীদের একটা অংশ অ্যান্টিবায়োটিক প্রতিরোধী হয়ে পড়ছে বলে ডাক্তাররা আশঙ্কা করছেন৷
কনসালটেন্ট ফিজিসিয়ান এমডি(মেডিসিন) ডক্টর রজকান্তি সিংহ চৌধুরীর বক্তব্য, একটা সময় অ্যান্টিবায়োটিক ছিল না৷ সে সময় রোগের সঙ্গে লড়াই করা দুষ্কর ছিল। সেটা ছিল প্রি-অ্যান্টিবায়োটিক যুগ এখন আমরা ক্রমশ পোস্ট অ্যান্টিবায়োটিক যুগের দিকে চলেছি। প্রত্যেক মানুষের শরীরেই বিশেষ কয়েকটি অ্যান্টিবায়োটিক গ্রুপ কাজ করছে না। সংখ্যাটা আগামিদিনে আরও বাড়বে।
  • কত সংখ্যায় সাধারণ মানুষের উপর অ্যান্টিবায়োটিক কাজ করছে না?
উত্তরে ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অফ মেডিক্যাল রিসার্চের রিপোর্টে যথেষ্ট চিন্তার উদ্রেক করছে। আইসিএমআরের দেওয়া তথ্য অনুসারে প্রতি ২০৭ জন মানুষের মধ্যে ১৩৯ জনের বিশেষ কোনও গ্রুপের অ্যান্টিবায়োটিক কাজ করে না৷

  • অ্যান্টিবায়োটিকের নষ্ট হয়ে যাওয়া রুখতে সবচেয়ে প্রয়োজনীয় কী? 
 এই প্রশ্নের উত্তরে রজতকান্তিবাবু বলেন, সবার আগে যথেচ্ছ এবং অনিয়মিত অ্যান্টিবায়োটিক সেবন বন্ধ করতে হবে। এবং ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া কোনভাবেই অ্যান্টিবায়োটিক গ্রহণ করা যাবে না।

No comments: