Politics

[Politics][bleft]

West Bengal

[West Bengal][grids]

World

[World][bsummary]

National

[National][twocolumns]

উটের দুধ ও প্রস্রাব পানে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার হুঁশিয়ারি

মিডেল ইস্ট রেসপিরেটরি সিনড্রোম (মারস) প্রতিরোধে উটের দুধ ও প্রস্রাব পান না করার জন্য হুঁশিয়ারি করে দিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। ২০১২ সালে সৌদি আরবে এই লক্ষণ ধরা পড়ার পর সম্প্রতি মারস-এর সংক্রমণে মারা গেছেন সাত জন।

মঙ্গলবার সিউল কর্তৃপক্ষ ৬৮ বছর বয়সী এক নারীসহ সাত জনের মৃত্যুর কথা নিশ্চিত করেছে। দক্ষিণ কোরিয়ায় এখনো ৯৫ জন মারস-এ আক্রান্ত এবং দুই হাজার ৫০০ জন এ ঝুঁকিতে রয়েছেন বলে জানিয়েছে যুক্তরাজ্য ভিত্তিক সংবাদ মাধ্যম দ্য ইন্ডিপেন্ডেন্ট।

সংস্থাটির ওয়েবসাইটে দেয়া এক বিবৃতিতে বলা হয়, মারস-এর হাত থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য লোকজনের উটের দুধ, প্রস্রাব এমনকি মাংস যা ঠিকভাবে রান্না করা হয়নি তা বর্জন করা উচিত।

গত সপ্তাহে পশ্চিম ওমানে ৭৫ বছর বয়সী এক ব্যক্তির মারস-এ আক্রান্ত হওয়ার পরই এই সতর্কতা জারি করে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। এ ভাইরাসে মানুষ এবং পশু উভয়েই আক্রান্ত হতে পারেন এবং মানুষের মধ্যে এটি ছড়িয়ে পড়ার আগে তা পশুর মধ্যে ছড়িয়েছিল।

উটের মারস-এ আক্রান্ত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে এবং মানুষের সাথে উটের সান্নিধ্যের পরই মানুষের মধ্যে এটি ছড়িয়ে পড়েছে। তবে মানুষ কীভাবে এতে আক্রান্ত হলেন সে বিষয়ে ডাক্তাররা এখনো নিশ্চিত নন।
২৯ মে যে ব্যক্তি মারস-এ আক্রান্ত বলে নিশ্চিত করা হয়েছে তার সম্পর্কে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা জানিয়েছে, উট এবং উটের বাচ্চার সান্নিধ্যে আসার কারণেই তার মধ্যে এ ভাইরাস ছড়িয়ে পড়েছে।

সংস্থাটি আরো জানায়, যারা ডায়াবেটিস, মূত্রনালীর সমস্যা কিংবা দীর্ঘদিন ধরে ফুসফুসের রোগে আক্রান্ত তাদের মারস-এ আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা অনেক বেশি।

২০১২ সালে মারস-এর সংক্রমণ ধরা পড়ার পর থেকে এ পর্যন্ত এ রোগে প্রায় ৪০০ জন মারা গেছেন। এতে আক্রান্ত হয়ে প্রথম যান সৌদি আরবের এক জন।

No comments: