Politics

[Politics][bleft]

West Bengal

[West Bengal][grids]

World

[World][bsummary]

National

[National][twocolumns]

মেয়েদের চেয়ে বড় হচ্ছে ছেলেদের বক্ষ!

ছেলেটা বহুদিন বাড়ি থেকে বেরতে ভয় পেত। বলা ভালো লজ্জা পেত। বেরলেও ঢিলেঢালা পোশাকই বেছে নিত সে। কারণটা বহুদিন আন্দাজ করতে পারেননি তার বাড়ির লোক, এমনকী সে নিজেও। অবশেষে একদিন বাড়ির লোকের সঙ্গে মুখোমুখি বসে কথা বলল বছর ২৬-এর সায়ন্তন। সমস্যার কথা খুলে বলায় পরিবারও সেভাবে তোয়াক্কা করেনি। এভাবেই কেটে গেল আরও মাস কয়েক। একদিন হঠাতই বাড়ির বাইরে বেরুনো ছেড়ে দিল সে। বাধ্য হয়ে ডাক্তারের কাছে ছুটল সায়ন্ত ও তার পরিবার। ডাক্তাররা বললেন, গাইনোকোমাশিয়ায় ভুগছে সে। 

কী এই গাইনোকোমাশিয়া? বুঝিয়ে দিলেন কলকাতার ডাক্তার সরকার। আসলে সব পুরুষের মধ্যেই অ্যান্ডজেন ও ইস্ট্রোজেন দুইই থাকে। কখনও কখনও একটির প্রভাব অন্যটির থেকে বেশি হয়। ফলে হরমোনাল ডিসব্যালেন্সের ফলে তৈরি হয় শারীরিক পরিবর্তন। এমনই ঘটেছে সায়ন্তনের সঙ্গে। তার স্তনের আকার বড় হয়ে গিয়েছে। সে কারণেই দীর্ঘ কয়েক বছর লজ্জায় ভুগছে সে।

একা সায়ন্তন নয়। প্রতি মাসে দেশের এক একটি জেলা ভিত্তিক হাসপাতালে প্রায় ২০-২৫ জন গাইনোকোমাশিয়া রোগে আক্রান্ত মানুষ আসেন। তাদের সকলেরই দাবি, নিজের স্তন ছোট করতে চায় তারা। প্রয়োজনে অপারেশনেও রাজি। শুধু অপারেশনই নয়, অপারেশনের পরে ভিড় বাড়ছে প্লাস্টিক সার্জারির ল্যাবে। কিং জর্জ মেডিকেল সার্জারি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান এ কে সিং বলেন, “হরমোনের ভারসাম্যহীনতাই এই নয়া রোগের কারণ। একে রোগ বলাই উচিত। কারণ এর ফলে দিনের পর দিন বাড়তে থাকে পুরুষদের স্তনের আকার। হীনমন্যতা থেকে শুরু হতে পারে মানসিক রোগও।”

এই রোগ হওয়ার কারণ কী?
ডাক্তারেরা জানিয়েছেন, দীর্ঘ অনিদ্রা, সঠিক খাবারের অভাব, চামড়ার সঠিক পরিচর্যা না করা এ সবই এই নয়া রোগ হওয়ার পিছনের মূল কারণ। একই সঙ্গে ডাক্তারদের দাবি, একবার এই রোগ ধরলে আর নিস্তার নেই। একমাত্র পথ অপারেশন। জেন ওয়াইয়ের এই নতুন রোগ থেকে মুক্তির পথ কী সেই উত্তর আজও অজানা।

No comments: