একই প্লাস্টিকের বোতল পুনরায় ব্যবহারের ৩টি মারাত্মক কুফল!
প্রায়ই আমরা একটা বোতল বা প্লাস্টিকের কাপ বারবার ব্যবহার করে থাকি। অনেক সময় কারণে, কখনো একদম কারণ ছাড়াই। এই যেমন ফ্রিজে জল রাখতে, বাইরে বেরোবার সময় সাথে জল নিতে, এমনকি পরিবেশ রক্ষার খাতিরেও একই বোতল বারবার ব্যবহার করি আমরা। কিন্তু গবেষনায় পাওয়া গেছে এই বোতলের এই পুনরায় ব্যবহার মারাত্মক ক্ষতিকর প্রভাব রাখতে পারে আমাদের জীবনে। জেনে নিন বোতল পুনরায় ব্যবহারের তিনটি ভয়াবহ দিক।
১. ব্যাকটেরিয়ার ঘরবসতি
একই বোতল বারবার ব্যবহার করলে তাতে ব্যাকটেরিয়া বাড়তে থাকে। আর জলে মিশে জলকে করে তোলে জীবানুযুক্ত। এই ব্যাকটেরিয়া মানুষের মুখ থেকে শুরু করে জলের জীবানু ও আরো নানা উত্স থেকে আসে বোতলে। আর বোতলের নানারকম খাঁজে আটকে থাকে। এক্ষেত্রে অনেক সময় গরম জল বা পরিষ্কারক দ্রব্য দিয়ে বোতল পরিষ্কার করলে ভেতরের জীবানু অনেকটা চলে যায়। কিন্তু ধীরে ধীরে সেটা আবার বাড়তে থাকে। এবং এটা খুবই সহজ হিসেব যে বোতলের মুখ সরু হওয়ায় সেটার সবটা জায়গা ভালো করে পরিষ্কার করা সম্ভব হয়না। তাই পুরোপুরি ব্যাকটেরিয়াগুলোকে তাড়ানোও সম্ভবপর হয়না। কালগারি বিশ্ববিদ্যালয়ের এক পরীক্ষায় পাওয়া যায় যে একটি ছাত্রের বারবার ব্যবহার করা না ধোয়া বোতলের জলে যে পরিমাণ জীবানু থাকে ততটা র্তমানের সাধারন জীবানুযুক্ত জলেও থাকেনা।
২. রাসায়নিক মিশ্রণ
বোতল যদি ব্যকটেরিয়ামুক্ত করবার জন্যে গরম জল বা সাবান দিয়ে ধুয়ে নেওয়া হয় তাতেও সমস্যা আরো বাড়ার সম্ভাবনা থেকে যায়। কারণ বোতলগুলো প্লাস্টিক দিয়ে তৈরি হয় যা গরম হবার কোন সম্ভাবনার ভেতর দিয়ে যাওয়ার কথা নয়। ফলে সেরকমভাবে সেটাকে তৈরিও করা হয়নি। কিন্তু কোন কারণে যদি প্লাস্টিকের সাথে গরম জলের সংস্পর্শ আনা হয় সেখানে যথেষ্ট সম্ভাবনা থাকে যে প্লাস্টিক থেকে রাসায়নিক দ্রব্য বেরিয়ে ভেতরের পানীয়তে মিশে যাবে।
বোতল যদি ব্যকটেরিয়ামুক্ত করবার জন্যে গরম জল বা সাবান দিয়ে ধুয়ে নেওয়া হয় তাতেও সমস্যা আরো বাড়ার সম্ভাবনা থেকে যায়। কারণ বোতলগুলো প্লাস্টিক দিয়ে তৈরি হয় যা গরম হবার কোন সম্ভাবনার ভেতর দিয়ে যাওয়ার কথা নয়। ফলে সেরকমভাবে সেটাকে তৈরিও করা হয়নি। কিন্তু কোন কারণে যদি প্লাস্টিকের সাথে গরম জলের সংস্পর্শ আনা হয় সেখানে যথেষ্ট সম্ভাবনা থাকে যে প্লাস্টিক থেকে রাসায়নিক দ্রব্য বেরিয়ে ভেতরের পানীয়তে মিশে যাবে।
৩. বিষক্রিয়া
বোতলের সেই অংশে বেশি ব্যাকটেরিয়া থাকে যেখানটায় মুখ লাগিয়ে খাওয়া হয় অথবা মুখের সবচাইতে বেশি কাছে আসে। অনেকেরই অভ্যাস রয়েছে বোতলে মুখ লাগিয়ে জল পান করার। এক গবেষনায় দেখা যায় যে, বোতলের সাথে মুখ লাগিয়ে যদি জল পান করা হয় এবং সেটা যদি টানা এক সপ্তাহ চালু রাখা যায় তবে সপ্তাহ শেষে সেখানে যে জীবানুটি পাওয়া যাবে সেটা হচ্ছে খাদ্যে বিষক্রিয়ার সৃষ্টিকারী জীবাণু। আর এই জীবাণু যেহেতু ফুড পয়জনিং এ সাহায্য করে সেটা যেখানে আর যেভাবেই থাকুক না কেন ঠিক একই কাজ করবে। আর তাই একই ওতল বারবার ব্যবহারে হতে পারে শরীরে বিষক্রিয়ার মতন ব্যাপারও।
বোতলের সেই অংশে বেশি ব্যাকটেরিয়া থাকে যেখানটায় মুখ লাগিয়ে খাওয়া হয় অথবা মুখের সবচাইতে বেশি কাছে আসে। অনেকেরই অভ্যাস রয়েছে বোতলে মুখ লাগিয়ে জল পান করার। এক গবেষনায় দেখা যায় যে, বোতলের সাথে মুখ লাগিয়ে যদি জল পান করা হয় এবং সেটা যদি টানা এক সপ্তাহ চালু রাখা যায় তবে সপ্তাহ শেষে সেখানে যে জীবানুটি পাওয়া যাবে সেটা হচ্ছে খাদ্যে বিষক্রিয়ার সৃষ্টিকারী জীবাণু। আর এই জীবাণু যেহেতু ফুড পয়জনিং এ সাহায্য করে সেটা যেখানে আর যেভাবেই থাকুক না কেন ঠিক একই কাজ করবে। আর তাই একই ওতল বারবার ব্যবহারে হতে পারে শরীরে বিষক্রিয়ার মতন ব্যাপারও।
Labels:
Entertainment


No comments: