সহজেই মন খারাপকে বাই বাই বলুন
ক্ষণিকের দুঃসংবাদে মলিন হতে পারে হাসিমুখ। মন খারাপ হতে পারে। বিষণ্নতা এসে ভর করতে পারে। ক্ষণিকের মধ্যেই মানসিক অবস্থা পরিবর্তনের এই ঘটনায় ভেঙে পড়বেন না। সাধারণত মানসিক বিপর্যয়ের এমন ঘটনা নানা সময়ে অনেকের ক্ষেত্রেই ঘটতে পারে। কিন্তু মন খারাপের এই সময়টুকুর জন্য সারাটা দিন মাটি করার কোনো মানেই হয় না। মেজাজ খারাপের মুহূর্তটিকে সারাদিন চলতে দেওয়া ঠিক নয়। কিছু বিষয় মেনে চললে আপনার মানসিক অবস্থা দ্রুত ভালো হতে পারে এবং আপনার সময় ভালো কাটতে পারে।
হাসুন প্রাণ খুলে
মন খারাপ বা মানসিক সমস্যা থাকলে তা ভালো করার সবচেয়ে ভালো ওষুধ হচ্ছে হাসি। গবেষকেরা দাবি করেন, প্রাণ খুলে হাসা স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী। হাসিতে মন ভালো হয়, রক্তচাপ কমে, রক্তে কোলস্টেরল কমে এবং এটা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।
শারীরিক কসরত
শারীরিক কসরত বা ব্যায়াম করলে আপনার দিন ভালো যেতে পারে। ব্যায়ামে এনডরফিন হরমোন নিঃসৃত হয়, যা মেজাজ ফুরফুরে করে। বিষণ্নতা ও উদ্বেগ দূর করতেও ব্যায়াম ভূমিকা রাখে বলেই গবেষকেরা দাবি করেন।
সূর্যের মুখোমুখি
মন খারাপ লাগলে কিছুক্ষণ সূর্যের আলোয় নিজেকে মেলে ধরুন। সূর্যের আলোয় খোলা মাঠে যেতে পারেন বা ঘরের জানালা খুলে উজ্জ্বল আলোর সামনে দাঁড়ান। শরীরকে সূর্য থেকে ভিটামিন ‘ডি’ সংগ্রহ করতে দিন। গবেষকেরা বলছেন, সূর্য-রশ্মি আপনার রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা যেমন বাড়াতে পারে, তেমনি মনও ভালো করে দিতে পারে।
গান শুনুন
গান শুনে আপনি আনন্দিত হয়ে উঠতে পারেন। মেজাজ ফুরফুরে লাগতে পারে। নাচতে ইচ্ছা হতে পারে কিংবা বাঁধ ভেঙে কান্নাও আসতে পারে। মন খারাপের সময় প্রিয় গান শুনলে কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই হয়তো আপনার ভালো লাগা শুরু হয়ে যেতে পারে। গান শোনার সঙ্গে মানসিক অবস্থা পরিবর্তনের প্রমাণ পেয়েছেন গবেষকেরা।
পুরোনো ছবি দেখুন
মন বেশি খারাপ হলে আপনার পুরোনো ছবি খুলে বসতে পারেন। আপনার পুরোনো মধুর স্মৃতির মুখোমুখি হলে আপনার ভালো লাগা শুরু হবে এবং মন ভালো হয়ে যেতে পারে। আপনার প্রিয় ছবিটিকে কম্পিউটারে আপলোড করতে পারেন এবং স্ক্রিনসেভার হিসেবে সেট করতে পারেন। এতে কাজেও উৎসাহ বাড়তে পারে।
হাসুন প্রাণ খুলে
মন খারাপ বা মানসিক সমস্যা থাকলে তা ভালো করার সবচেয়ে ভালো ওষুধ হচ্ছে হাসি। গবেষকেরা দাবি করেন, প্রাণ খুলে হাসা স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী। হাসিতে মন ভালো হয়, রক্তচাপ কমে, রক্তে কোলস্টেরল কমে এবং এটা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।
শারীরিক কসরত
শারীরিক কসরত বা ব্যায়াম করলে আপনার দিন ভালো যেতে পারে। ব্যায়ামে এনডরফিন হরমোন নিঃসৃত হয়, যা মেজাজ ফুরফুরে করে। বিষণ্নতা ও উদ্বেগ দূর করতেও ব্যায়াম ভূমিকা রাখে বলেই গবেষকেরা দাবি করেন।
সূর্যের মুখোমুখি
মন খারাপ লাগলে কিছুক্ষণ সূর্যের আলোয় নিজেকে মেলে ধরুন। সূর্যের আলোয় খোলা মাঠে যেতে পারেন বা ঘরের জানালা খুলে উজ্জ্বল আলোর সামনে দাঁড়ান। শরীরকে সূর্য থেকে ভিটামিন ‘ডি’ সংগ্রহ করতে দিন। গবেষকেরা বলছেন, সূর্য-রশ্মি আপনার রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা যেমন বাড়াতে পারে, তেমনি মনও ভালো করে দিতে পারে।
গান শুনুন
গান শুনে আপনি আনন্দিত হয়ে উঠতে পারেন। মেজাজ ফুরফুরে লাগতে পারে। নাচতে ইচ্ছা হতে পারে কিংবা বাঁধ ভেঙে কান্নাও আসতে পারে। মন খারাপের সময় প্রিয় গান শুনলে কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই হয়তো আপনার ভালো লাগা শুরু হয়ে যেতে পারে। গান শোনার সঙ্গে মানসিক অবস্থা পরিবর্তনের প্রমাণ পেয়েছেন গবেষকেরা।
পুরোনো ছবি দেখুন
মন বেশি খারাপ হলে আপনার পুরোনো ছবি খুলে বসতে পারেন। আপনার পুরোনো মধুর স্মৃতির মুখোমুখি হলে আপনার ভালো লাগা শুরু হবে এবং মন ভালো হয়ে যেতে পারে। আপনার প্রিয় ছবিটিকে কম্পিউটারে আপলোড করতে পারেন এবং স্ক্রিনসেভার হিসেবে সেট করতে পারেন। এতে কাজেও উৎসাহ বাড়তে পারে।
Labels:
Entertainment


No comments: