উপনির্বাচনের প্রচারে বিরোধীদের জামানত জব্দ হওয়ার হুঁশিয়ারি মেয়রের
কলকাতা: মেয়র ফিরহাদ হাকিমের কাউন্সিলর হওয়ার নির্বাচন আগামী ৬ জানুয়ারী। তার জন্য শুক্রবার আলিপুরে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের কাছে মনোনয়নপত্র জমা দিলেন তিনি । তবে তার আগেই রাস্তায় নেমে ভোট চাইতে দেখা গেল তাঁকে ৷
শুক্রবার ছিল ১১৭ ওয়ার্ডের উপনির্বাচনের শেষদিনের প্রচার। এইদিনের প্রচারে রাস্তায় নামেন মেয়র। এই দিন সকাল ১০ টায় রায় বাহাদুর রোডের স্নেহাগার্ডেন থেকে প্রাথী অমিত সিংকে সাথে নিয়ে হুডখোলা গাড়িতে প্রচার শুরু করেন ফিরহাদ হাকিম।সঙ্গে ছিলেন বিধাননগরের বিধায়ক সুজিত বোস, তৃনমূল কাউন্সিলর তারক সিং ও অন্যান্য স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।
এই দিন প্রচারের মঞ্চ থেকে বিরোধিদের হুঁশিয়ারিও দিয়ে ফিরহাদ বললেন, 'নির্বাচনী প্রচারেই যদি মানুষের এই স্বতঃস্ফূর্ততা হয়, তাহলে ভোটের ফলাফল কি হবে বোঝাই যাচ্ছে। দুঃখের সঙ্গে জানাচ্ছি, এখানে বিরোধিদের জামানত জব্দ হয়ে যাবে।' এর পাশাপাশি তিনি দাবি করেন, 'মানুষের চাহিদামতো কাজ করে দেওয়া হয়েছে সংশ্লিষ্ট এলাকায়। যে কাজ বাকি আছে তা অমিত করে দেবে।'
প্রসঙ্গত, গত দু’বছর ধরে কাউন্সিলরের আসনটি ফাঁকা রয়েছে কলকাতা পুরসভার ১১৭ নম্বর ওয়ার্ডে৷ কাউন্সিলর শৈলেন দাশগুপ্তের প্রয়াণের পর ওই ওয়ার্ডে কোনও বাই-ইলেকশন হয়নি৷ এখানে চতুর্মুখী লড়াই৷ রয়েছেন বিজেপির প্রার্থী সোমনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়, সিপিএমের প্রার্থী অমিতাভ কর্মকার ও কংগ্রেসের প্রভিষেক সিংহ৷ এর মধ্যে অমিতের প্রধান বিরোধী বিজেপির সোমনাথ৷ কারণ, এই ওয়ার্ডে ভোটার সংখ্যা প্রায় ১৮ হাজার। ২০১৫ সালের পুরভোটে বিজেপি প্রার্থীকে ২১০০ ভোটে হারিয়ে জয় পান তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী শৈলেন দাশগুপ্ত।
উল্লেখ্য, জয়নগর বোমা-গুলিতে তৃনমূল নেতাসহ ৩ জনের মৃত্যুর নিয়ে মহানাগরিককে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন " আমি জানি না, বিষয়টি জেনে আমি বলতে পারব। জয়নগরের মতো একটি অতি পুরানো পুরসভায় এমন একটি শিহরন জাগানো দুষ্কৃতিদের ছোঁড়া বোমা ও গুলিতে ৩ জনের মৃত্যুর ঘটনা পুরমন্ত্রী হয়েও ঘটনার সময় থেকে ২৪ ঘন্টা কেটে গেলেও তিনি জানতে পারলেন না কেন ? প্রশ্ন বিরোধীদের।


No comments: