Politics

[Politics][bleft]

West Bengal

[West Bengal][grids]

World

[World][bsummary]

National

[National][twocolumns]

হোমিওপ্যাথি চিকিৎসায় রয়েছে স্বাস্থ্যঝুঁকি

হোমিওপ্যাথি চিকিৎসায় যাদের বিশ্বাস রয়েছে, তাদের হতাশ করেছে অস্ট্রেলিয়ার মেডিক্যাল রিসার্চে নিয়োজিত শীর্ষস্থানীয় গবেষকদের একটি দল। এই চিকিৎসার ২২৫টি গবেষণাপত্র পর্যবেক্ষণ করে তারা মতামত তুলে ধরে বলেন, চিকিৎসার কোনো কাজই হোমিওপ্যাথ দ্বারা সম্ভব নয়।

দেশটির ন্যাশনাল হেলথ অ্যান্ড মেডিক্যাল রিসার্চ কাউন্সিল (এনএইচএমআরসি) মানুষকে সাবধান করে দিয়ে বলেছে, যারা চিকিৎসার জন্যে হোমিওপ্যাথির প্রতি আগ্রহী হবেন তারা স্বাস্থ্যঝুঁকির সম্মুখীন হতে পারেন।
এই পুরনো ও বহুল প্রচলিত চিকিৎসাব্যবস্থার নানা বিষয় বিশ্লেষণ করেন গবেষকরা জানান, এ চিকিৎসায় কোনো ফলদায়ক বিষয় খুঁজে পাওয়া যায়নি। এক প্রতিবেদনে এসব কথা জানায় দ্য গার্ডিয়ান।

আরো জানানো হয়, যে সকল উপাদান ওষুধ হিসাবে প্রয়োগ করা হয়, তা পানি বা অন্য কোনো উপাদানের সঙ্গে মেশানো হয়। মূল ওষুধ ওইসব উপাদানের সঙ্গে মিশে তাদের কার্যকারিতা ধরে রাখে।

এনএইচএমআরসি এর হোমিওপ্যাথি ওয়ার্কিং কমিটির প্রধান পল গ্লাসজ্যু বলেন, এই গবেষণার মাধ্যমে হোমিওপ্যাথির প্রতি মানুষের আস্থা কমানো সম্ভব হবে। পাশাপাশি চিকিৎসা কেন্দ্রগুলোও হোমিওপ্যাতি ওষুধ রাখার আগে চিন্তা করে নেবেন।

পল আরো বলেন, তবে কিছু মানুষ থাকবেন যারা এ গবেষণাকে ভুয়া বলে উড়িয়ে দেবেন। কারণ এর আগেও বেশ কিছু গবেষণায় হোমিওপ্যাথির কার্যকারিতা প্রমাণিত হয়েছে। কিন্তু ওই গবেষণাগুলোর গুণগত মান ঠিক ছিল না বলেই মন্তব্য করেন গবেষক।

এনএইচএমআরসি এর এ গবেষণার বিপরীতে অস্ট্রেলিয়ান হোমিওপ্যাথি অ্যাসোসিয়েশন (এএইচএ) এক বিবৃতিতে জানায়, বর্তমানে প্রায় ১০ লাখ অস্ট্রেলিয়ান হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা নিচ্ছেন। এ সংখ্যা নিয়ে প্রমাণযোগ্য কোনো তথ্য-উপাত্ত নেই বলে জানায় এনএইচএমআরসি। তবে ২০০৯ সালে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার এর প্রতিবেদনে বলা হয়, হোপিওপ্যাথি চিকিৎসাব্যবস্থায় অস্ট্রেলিয়ানরা বছরে ৯.৫৯ মিলিয়ন ডলার ব্যয় করেন।

No comments: