পাইকারি ও খুচরা বিক্রেতাদের পেঁয়াজ মজুতের সীমা বেঁধে দিল কেন্দ্র!
নিজস্ব প্রতিনিধিঃ পাইকারি ও খুচরা বিক্রেতাদের পেঁয়াজ মজুতের সীমা বেঁধে দিল কেন্দ্র! এর আগে বড়ো ব্যবসায়ীরা ৫০০ কুইন্টাল পেঁয়াজ মজুত রাখতে পারত। সেখানে তারা এখন ২৫০ কুইন্টাল পেঁয়াজ মজুত রাখতে পারবে। ছোট ব্যবসায়ীরা আগে পেঁয়াজ মজুত রাখতে পেত ১০০ কুইন্টাল। এখন তারা ৫০ কুইন্টালের বেশি পেঁয়াজ মজুত রাখতে পারবে না।
তুরস্ক থেকে পেঁয়াজ আমদানি করার পরও পেঁয়াজের ধাঁজ কমছে না। দাম বেড়েই চলেছে। এই দাম বৃদ্ধিকে কেন্দ্র করে সাধারণ মানুষের ক্ষোভ বেড়েই চলেছে। অবশেষে এই ব্যাপারে হস্তক্ষেপ করলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ।
বৃহস্পতিবার সংসদ ভবনে পেঁয়াজের দাম বৃদ্ধি প্রসঙ্গে পর্যালোচনা হয়। পর্যালোচনায় সিদ্ধান্ত হয়, প্রয়োজনে আরও পেঁয়াজ আমদানি করা হবে এবং সেই সঙ্গে সঙ্গে মজুতদারের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।
দেশের সবথেকে বড়ো পেঁয়াজের বাজার হিসেবে ধরা হয় মহারাষ্টের নাসিকের লাসালগাঁওকে। সেখানে গত বুধবার পেঁয়াজের বাজার দর ছিল কুইন্টাল প্রতি ৫০২৫ টাকা। ২৪ ঘন্টার মধ্যে সেই পেঁয়াজের দাম হয়ে দাড়ায় কুইন্টাল প্রতি ৭৫০০ টাকা।
কলকাতার বিভিন্ন জায়গায় পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ১৪০-১৫০ টাকা কেজি দরে। এ নিয়ে মানুষের নাভিশ্বাস উঠেছে।
বিগত বছরের পরিসংখ্যান তুলে নির্মলা সীতারমণ জানান, গত মরসুমে যেখানে পেঁয়াজ উৎপাদিত হয়েছিল ৫০.৬৪ মেট্রিক টন সেখানে এবছর উৎপাদনের হার ৩৮.৮৭ মেট্রিক টন।
রাজস্থান সহ বেশ কিছু রাজ্যের উদ্বৃত্ত পেঁয়াজ দেশের বিভিন্ন প্রান্তে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়। এছাড়াও পাইকারী ও খুচরো পেঁয়াজ মজুতকারীদের নির্দিষ্ট একটি সীমা বেঁধে দেওয়া হয়।

No comments: